সোনামুখী ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির নিজস্ব ফান্ডের টাকা তছরুপের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন সোনামুখী বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি। পাল্টা বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে আইনি পথে হাঁটার হুঁশিয়ারি সোনামুখী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কুশল বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
সোমবার সোনামুখী বিধায়ক কার্যালয় থেকে একটি মিছিল করে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিধায়কের নেতৃত্বে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা সোনামুখী ব্লক অফিসের সামনে জমায়েত হন এবং সেখানেই তাদের দাবি দাওয়া সম্বলিত স্লোগান দিতে থাকেন। পরে বিজেপির একটি প্রতিনিধি দল সোনামুখীর বিডিও এবং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিকে তাদের দাবি দাওয়া সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করেন। সোনামুখী বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, বেশ কয়েকটি দাবি নিয়ে আমরা আজ সোনামুখী ব্লক অফিসে ডেপুটেশন দিলাম।
এর মধ্যে প্রধান হল সোনামুখী পঞ্চায়েত সমিতির নিজস্ব ফান্ডের টাকা তছরুপ হয়েছে। এই টাকা বিভিন্ন ব্যক্তিগত কাজে লাগানো হয়েছে, কখনো দলীয় কাজে লাগানো হয়েছে, গরিব মানুষের কাজে না লাগিয়ে। এছাড়াও বিধায়ক বিস্ফোরক দাবি করে বলেন, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির সহযোগিতায় আগের বিডিও তার কোয়াটারের সরকারি আসবাবপত্র নিয়ে গেছেন। বিধায়ককে পাল্টা দিতে দেরি করেনি সোনামুখী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কুশল বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, বিধায়কের এই দাবি একেবারেই ভিত্তিহীন, রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই তিনি এইসব কথা বলছেন।
তিনি বলেন, তার আমলেই সোনামুখী পঞ্চায়েত সমিতির ওন ফান্ড ৫০ লক্ষ টাকা বেড়েছে। এছাড়াও তিনি বলেন, কোন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির ফাইনান্সিয়াল পাওয়ার নেই শুধুমাত্র মেলাইন করার জন্যই এসব বলা হচ্ছে। একজন বিধায়ক হয়ে এসব কথা কি করে বলেন তিনি। পরে আইনি হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, এতে সম্মানহানি হয়েছে বলে আমি মনে করি, আগামী দিনে আমিও ভাববো এর কি আইনগত ব্যবস্থা করা যায়, আইনি পরামর্শ নেব আমি।













