ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গন্ধমাখা পুরনো দুবাইয়ের গলিঘুঁজিতে হাঁটতে হাঁটতে স্থানীয় খাবারের স্বাদ নেওয়া-এই অভিজ্ঞতাকেই বিশ্বের সেরা ভ্রমণ অভিজ্ঞতার মধ্যে একটি হিসেবে স্বীকৃতি দিল ভ্রমণপঞ্জি প্রকাশনা সংস্থা লোনলি প্ল্যানেট। তাদের ‘বেস্ট ইন ট্রাভেল ২০২৬’ তালিকায় স্থান পেয়েছে এই অনন্য খাদ্য-সংস্কৃতি ভ্রমণ।
বুর দুবাই ও দেইরা-দুবাইয়ের এই দুই প্রাচীন অঞ্চলে আজও লুকিয়ে আছে শহরের অতীতের স্বাদ।
এখানে ছোট-বড় অসংখ্য রেস্তোরাঁয় মেলে স্থানীয় উপকরণে তৈরি আসল আরবীয়, ইরানি, ভারতীয় ও আফ্রিকান নানা পদ। এখানেই যেন মিশে গেছে প্রায় ২০০ জাতির রান্নার ছোঁয়া।
দুবাই ট্যুরিজম কর্পোরেশনের সিইও ইসাম কাজিম জানিয়েছেন, এই স্বীকৃতি প্রমাণ করে দুবাই কেবল আধুনিকতার শহর নয়, বরং সংস্কৃতি ও রন্ধন ঐতিহ্যের এক জীবন্ত কেন্দ্র।
অন্যদিকে, লোনলি প্ল্যানেট-এর সহ-সভাপতি টম হল বলেন,পুরনো দুবাইয়ের খাদ্যভ্রমণ এমন এক অভিজ্ঞতা, যা ভ্রমণ শেষে মানুষের মনে দীর্ঘদিন রয়ে যায়।বুর দুবাইয়ের আল ফাহিদি এলাকায় আল খায়মা হেরিটেজ রেস্তোরাঁর এমিরাতি ‘ল্যাম্ব মাচবুস’,আল উস্তাদ কাবাবের ‘কাবাব খাস’ বা ‘আরাবিয়ান টি হাউস’-এর ঐতিহ্যবাহী ‘বিরিয়ানি দেইয়াই’ সবই এখন পর্যটকদের তালিকায়।দেইরায় রয়েছে ‘বৈত আল মান্দি’র সুবাসিত মাটন মান্দি, ‘আল সামাদি সুইটস’-এর সুস্বাদু আরবি মিষ্টান্ন,আর পুরনো গোল্ড সুকে ঘুরে পাওয়া যায় মশলার রাজ্য।প্রাচীন সৌক ও খালপারের পুরনো ঘরবাড়ির মাঝে এই খাবার ভ্রমণ আজ দুবাইয়ের সংস্কৃতির জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।শুধু স্বাদের নয়, ইতিহাস-সংস্কৃতি ও আতিথেয়তারও এক অপূর্ব মেলবন্ধন এটি।













