চাকরি প্রতিশ্রুতি না রাখায় আবারো পরিবারের সদস্যরা অনশন বসলেন পঞ্চায়েত অফিসের সামনে। তাদের অভিযোগ, তাদের জায়গায় পিএইচই জলট্যাঙ্ক করেছে, সেখানে চাকরি দেওয়ার কথা ছিল। চলতি বছরে ১ জুলাই অনশনে বসেছিলেন হুগলি গোঘাটের কুমুড়সা অঞ্চলের বাসিন্দা হারাধন ঘোষ। চাকরি দেওয়ার কথা ছিল, চাকরি না হওয়ায় তারা অনশনে বসেছিলে। এরপর তাদেরকে ধরনা তুলে নেওয়ার কথা বলে তৃণমূল নেতৃত্বরা। তাদেরকে বলা হয় বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। তারপরেই অনশন তুলে নেন ওই পরিবারের লোকজন। তারপরও প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়ায় পুনরায় সোমবার কুমুরসা গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনে অনশনে বসেন হারাধন ঘোষ সহ তার স্ত্রী ও তার মেয়ে।
তাদের অভিযোগ, প্রধানের স্ত্রীর চাকরি ছাড়তে হবে। আমাদের দাবি মানতে হবে পিএইচই-তে চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাবেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় হৈচৈ পড়ে যায়। যদিও এ বিষয়ে গোঘাট এক নম্বর ব্লকের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সঞ্জীব পাখিরা বলেন, বিষয়টা আমার জানা নেই, তবে আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি। পুড়শুড়া বিধায়ক বিমান ঘোষ বলেন, গোঘাট বিধানসভার অন্তর্গত কুমুড়শা পঞ্চায়েত প্রধান রবীন্দ্রনাথ দে মিথ্যা চাকরির আশ্বাস দিয়ে হারাধন ঘোষ নামক এক ব্যক্তির জায়গায় পিএইচই’র জলট্যাঙ্ক করার পর সেই চাকরি তার ভাইপো ও স্ত্রী কে দেওয়ায় প্রতিবাদে আজ উনি ধর্নায় বসেন। উনার সঙ্গে দেখা করে সবরকম সহযোগিতা ও পাশে থাকার আশ্বাস দিলাম। এরকম চাকরি দেওয়ার নাম করে তৃণমূল প্রধান আরও কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। আমরা প্রধানের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেব।















