ঝাড়খণ্ডের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী শিবু সোরেন প্রয়াত। দিল্লির স্যার গঙ্গারাম হাসপাতলে সকাল পৌনে নটা নাগাদ তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৮১। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনি এবং বার্ধক্য জনিত রোগে ভুগছিলেন। জীবনের শেষ কয়েক মাস তাকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছিল। প্রয়াত শিবু সোরেনকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি তার পরিবারকে জানিয়েছেন সমবেদনা।
শিবুর পুত্র হেমন্ত সরেন বর্তমানে ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী। বাবার শরীরের অবনতির খবর পেয়ে আজ সকালে তিনি দিল্লি পৌঁছে যান। শেষ সময় তিনি বাবার পাশেই ছিলেন। হেমন্ত এদিন সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করে বলেন দিশম গুরুজি আমাদের সবাইকে ছেড়ে চলে গেলেন। আজ সোমবার। আমি শূন্য হয়ে গেলাম।
২০০৫ সালে ঝাড়খন্ড রাজ্যের জন্ম হয়। দশ দিনের জন্য তিনি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। ২০০৮ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত তিনি ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর পদে ছিলেন। মূলত তার আন্দোলন জনজাতিকে জাগরিত করেছিল। দুমকা থেকে শুরু করে রাঁচি পর্যন্ত তিনি আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন ঝাড়খন্ড রাজ্যের জন্য। শেষ পর্যন্ত বিহারকে ভেঙে নতুন ঝাড়খন্ড রাজ্য তৈরি হয়। একটা সময় কেন্দ্রীয় কয়লা মন্ত্রী হিসেবেও কাজ করেছেন। আবার কংগ্রেস সরকার বাঁচাতে ঘুষ মামলায় তাকে জেলে যেতে হয়েছিল।
খালি হয়েছিল তার সাংসদ পদ। শিবু সরেন তৃণমূল স্তরের নেতা ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরেও তার আবাসনে ছিল সাধারণ মানুষের যাতায়াত। জনজাতিদের প্রতি ছিল তার গভীর প্রেম। ভালোবাসা।প্রান্তিক মানুষদের উন্নয়নের জন্য তিনি সর্বদা চেষ্টা করে গেছেন। ভারতের রাজনীতিতে তার মৃত্যুতে একটি যুগের অবসান হল।













