Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

প্রাকৃতিক উপাদানেই ফিরবে চুলের জেল্লা! ঘরোয়া ৪ টি উপায়

প্রাকৃতিক উপাদানেই ফিরবে চুলের জেল্লা! ঘরোয়া ৪ টি উপায়

আধুনিক জীবনের দূষণ, কড়া সূর্যের আলো এবং রাসায়নিক প্রসাধনীর অতিরিক্ত ব্যবহারে চুল হয়ে পড়ছে শুষ্ক ও প্রাণহীন। এই শুষ্কতা কেবল চুলের সৌন্দর্যই নষ্ট করছে না, বরং চুল ভেঙে যাওয়ার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক সময় ব্যয়বহুল সেলুন ট্রিটমেন্ট করিয়েও দীর্ঘস্থায়ী সমাধান মেলে না। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাতের নাগালে থাকা রান্নাঘরের কিছু প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করেই পুনরায় সিল্কি ও উজ্জ্বল চুল পাওয়া সম্ভব।

চুলের শুষ্কতা দূর করতে কলা এবং মধুর মিশ্রণ অত্যন্ত কার্যকর। কলায় থাকা পটাশিয়াম, প্রাকৃতিক তেল এবং ভিটামিন চুলের স্থিতিস্থাপকতা উন্নত করে। অন্যদিকে মধু একটি প্রাকৃতিক ‘হিউমেক্ট্যান্ট’, যা বাতাস থেকে আর্দ্রতা শোষণ করে চুলে আটকে রাখে। একটি পাকা কলা ভালো করে চটকে তাতে এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে ২০-৩০ মিনিট চুলে লাগিয়ে রাখতে হবে। এরপর হালকা গরম জল ও শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেললে চুলের কোমলতা ফিরে আসে।

মাথার ত্বকের পরিচ্ছন্নতা এবং কন্ডিশনিংয়ের জন্য দই ও অ্যালোভেরা মাস্ক সেরা। দইয়ের ল্যাকটিক অ্যাসিড স্ক্যাল্প পরিষ্কার রাখে এবং অ্যালোভেরা চুলকে গভীরভাবে হাইড্রেট করে। এটি চুলের pH স্তরের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং চুলকানি কমায়। হাফ কাপ তাজা দই ও দুই চা চামচ অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে ৩০ মিনিট চুলে লাগিয়ে ধুয়ে ফেললে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।

ডিম, অলিভ অয়েল ও নারকেল তেল
চুল মূলত প্রোটিন দিয়ে তৈরি, তাই ডিমের মাস্ক চুলের গঠন উন্নত করতে জাদুর মতো কাজ করে। একটি ডিমের সাথে দুই চা চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে ভেজা চুলে ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখতে হবে। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষার জন্য ৩ চা চামচ হালকা গরম নারকেল তেলের সাথে ২টি ভিটামিন-ই ক্যাপসুল মিশিয়ে সারারাত মাথায় মাসাজ করে রাখলে চুলের গোড়া ভেতর থেকে পুষ্ট হয়।

প্রাকৃতিক এই মাস্কগুলো নিয়মিত ব্যবহারে চুলের হারানো স্বাস্থ্য ফিরে আসে এবং রাসায়নিকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। চুলের ধরন বুঝে সপ্তাহে অন্তত একদিন এই ঘরোয়া পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করলে পার্লারে না গিয়েও পাওয়া সম্ভব উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত চুল।

READ MORE.....