এসআইআর এর হিয়ারিং-এ ডাক পেয়ে মঙ্গলবার দুপুরে হাওড়ার বালি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের শুনানি কেন্দ্রে সপরিবারে উপস্থিত হন তৃণমূলের সোস্যাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য। দেবাংশু এদিন এই বিষয়ে কমিশনকে তীব্র কটাক্ষ করেন।
এদিন দুপুর বারোটা নাগাদ বালি গ্রাম পঞ্চায়েতে এসআইআর শুনানিতে আসেন তিনি। কিন্তু কেন তাঁকে ডাকা হল সে বিষয়ে কোনও স্পষ্ট নির্দেশিকা না থাকায় তিনি আশ্চর্য বোধ করছেন বলে জানান। জানা গেছে, দেবাংশু সহ তাঁর পরিবারের মোট ৪ জনকে শুনানির নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কি কারণে ডাকা হয়েছে তা অবশ্য জানা যায়নি। দেবাংশু বলেন, ‘জানা ছিল শুনানিতে ডাক আসবে।
কিন্তু কবে আসবে বুঝতে পারছিলাম না। ফাইনালি এসেছে ভালোবাসার চিঠি। হ্যাপি নিউ ইয়ার করতে ডেকেছে। আমরাও এসেছি। আমার পরিবারের কারও কাগজপত্রে ভুল কিছু নেই। কি কারণে ডাক পড়েছে জানিনা। দেড় কোটির টার্গেট শুভেন্দু বাবুরা দিয়ে রেখেছেন। সেই টার্গেট পূরণ করতে হবে তাই ডাকছে। আমি, আমার দিদি, আমার খুড়তুতো ভাই এবং বোনেরা হিয়ারিং-এ ডাক পেয়েছি। দিদি হাত ভেঙে বেডরেস্টে ওর কাগজপত্র নিয়ে মা এসেছেন।
এখনও পর্যন্ত মোট চারজনে ডাক পেয়েছি। আমার বাবা, মা এবং কাকা, কাকিমার ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে নাম ছিল। সেই কারণে ৫৮ লাখের তালিকায় আমাদের নাম আসেনি। আমার বাবা, মা, দিদি এবং আমার নাম, বয়সে কোনও কার্ডে কোনও গরমিল নেই। প্রতিটি কার্ডে একইরকম রয়েছে। তা সত্ত্বেও কেন ডেকে পাঠানো হয়েছে সে সম্পর্কে আমি নিশ্চিত নই। আমাদের কাছে লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির জন্য যে নোটিশ এসেছে তার লজিক্যাল কোনও কারণ নেই।’













