বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়েছে। গত ৩৭ দিনে এটি দশম নিম্নচাপ। বর্তমানে এটি উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে এবং আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ধীরে ধীরে মধ্য বঙ্গোপসাগরের দিকে অগ্রসর হবে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাংলায় বড় কোনও প্রভাব না পড়লেও অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওডিশার উপকূলে এর প্রভাব বেশি দেখা যাবে।
গণেশ চতুর্থীর দিন থেকেই বাংলা, অন্ধ্র ও ওডিশার উপকূল এলাকায় নিম্নচাপের প্রভাব শুরু হতে পারে। সে কারণে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের উত্তর বঙ্গোপসাগরে না যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাওয়া অফিস।
দক্ষিণবঙ্গে বুধবার তেমন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে উপকূলবর্তী জেলা এবং পশ্চিমের কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে, সঙ্গে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে। বৃহস্পতিবার কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে এবং ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে।
শুক্রবার দুপুরের পর থেকে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়বে। এদিন পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, অন্য জেলাগুলোতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি বুধবার থেকে শুক্রবার উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি নামতে পারে। বিশেষ করে কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। রবিবার ও সোমবার উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়বে।
কলকাতায় বুধবার সকাল থেকেই আকাশ ভারী। দিনের বেলায় ছিটেফোঁটা বৃষ্টির পর কোথাও কোথাও রোদের দেখা মিলেছে। সন্ধ্যার দিকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে বলে অনুমান। বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকবে।
শহরের বাতাসে প্রায় ৯৩ শতাংশ জলীয় বাষ্প থাকায় দুপুরের পর থেকে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। বৃহস্পতিবার বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে এবং শুক্রবার আরও তীব্র হতে পারে।













