Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

বদলি জটে রাজ্যের তিন আইএএস

বদলি জটে রাজ্যের তিন আইএএস

তিন আইএএস আধিকারিকের বদলি ও অতিরিক্ত দায়িত্ব ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে নবান্নের সংঘাত চরমে উঠল। কমিশনের দেওয়া নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে পাল্টা চিঠি পাঠাল রাজ্য সরকার। কমিশনের অনুমতি ছাড়াই ওই আধিকারিকদের সরানোর যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হয়েছে প্রশাসনিক মহলে। নিয়মের বেড়াজাল আর প্রশাসনিক প্রয়োজনীয়তার লড়াই এখন তুঙ্গে।ঘটনার সূত্রপাত গত ২৮ নভেম্বর। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) কাজে তিন আইএএস আধিকারিককে পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করেছিল নির্বাচন কমিশন।

 

আইএএস অশ্বিনীকুমার যাদবকে উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, রণধীর কুমারকে উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতা উত্তর এবং স্মিতা পাণ্ডেকে দুই বর্ধমান ও বীরভূমের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, তাদের নিযুক্ত কোনও আধিকারিককে আগাম অনুমতি ছাড়া বদলি বা নতুন দায়িত্ব দেওয়া যায় না। অভিযোগ, নবান্ন সেই নিয়মকে গুরুত্ব না দিয়েই গত ৩১ ডিসেম্বর এবং ২০ ও ২১ জানুয়ারি তিনটি পৃথক নির্দেশিকা জারি করে। অশ্বিনী এবং রণধীরকে অতিরিক্ত পদের দায়িত্ব দেওয়া হয়। অন্যদিকে স্মিতা পাণ্ডেকে সরিয়ে দেওয়া হয় অন্য দফতরে।

 

নবান্নের এই পদক্ষেপে বেজায় ক্ষুব্ধ হয় কমিশন। রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে কড়া চিঠি পাঠিয়ে কমিশন সাফ জানিয়ে দেয়, ‘অবিলম্বে তাদের নির্দেশ বাতিল করতে হবে।’ দুই আধিকারিকের অতিরিক্ত দায়িত্ব এবং স্মিতা পাণ্ডের বদলি কার্যকর করা যাবে না বলেও নির্দেশ দেয় তারা। ভবিষ্যতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কমিশনের ছাড়পত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক বলে মনে করিয়ে দেওয়া হয়।

 

কমিশনের এই কড়া বার্তার জবাবে নবান্ন কিন্তু দমে যায়নি। এখনও পর্যন্ত পুরনো নির্দেশিকা প্রত্যাহার করার বদলে কমিশনকে পাল্টা চিঠি পাঠিয়ে পুনর্বিবেচনার আর্জি জানানো হয়েছে। সূত্রের খবর, চিঠিতে প্রশাসনের একাধিক ব্যবহারিক সমস্যার কথা তুলে ধরেছে রাজ্য। প্রশাসনিক কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে কেন এই রদবদল জরুরি ছিল, তার সপক্ষে যুক্তি দেওয়া হয়েছে। এখন দেখার, রাজ্যের এই আরজি মেনে কমিশন সুর নরম করে নাকি সংঘাত আরও দীর্ঘস্থায়ী হয়।

READ MORE.....