শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় থেকে ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যরা তুলে ধরলেন বাংলার গর্বের ইতিহাস। বুঝিয়ে দিলেন, গেরুয়া শিবির নিজেদের ভাষা, সংস্কৃতি আগলে রাখতে ডাহা ফেল। তৃণমূল তা রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর। শাসকদলের বিধায়কদের কথায়, “বাংলার ক্ষুদিরামকে আমরা নাথুরামকে দিয়ে অপমানিত হতে দেব না।
পূর্বঘোষণামতো মঙ্গলবার বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে পেশ হয়েছে বাঙালি ‘হেনস্তা’ বিরোধী প্রস্তাব। তা নিয়ে আলোচনাতেই বাকযুদ্ধে জড়াল তৃণমূল-বিজেপি। ফিরহাদ হাকিম বললেন, ”বাংলা বললেই আমরা বাংলাদেশি? আমরা ভারতীয় বাঙালি। বিজেপি বাংলা বিরোধী। ব্রিটিশরা যখন বাংলা ভাগ করে, তখন থেকে বিজেপি মানুষের মনে বরাবর ঘৃণা জাগিয়ে রাখতে চেয়েছে। আপনাদের অস্তিত্ব থাকবে না।
ব্রিটিশদের দালালি করেছেন আপনারা। বাম থেকে বিজেপিতে এসে বিধায়ক হওয়া শংকর ঘোষকে উদ্দেশ্য করে ফিরহাদ হাকিম বলেন, ”শঙ্কর ঘোষ যে দলে ছিলেন তখনও রবীন্দ্রনাথকে বলেছেন ‘বুর্জোয়া’ কবি, আজ যে দলে আছেন সেই দলও কবিগুরুকে অপমান করছেন ধর্মীয় অন্ধকারে দেশকে পুঁতে রাখতে চাইছেন। ছিঃ, দেশকে আপনারা পিছিয়ে দিতে চাইছেন।
ব্রাত্য বসু বলেন, ”উর্দু ভাষা ভারতীয় ভাষা, সপ্তম শিডিউলে স্বীকৃত। এই ভাষাকে অসম্মান করবেন না। এখন বাংলাকে উপভাষা বলে দাগিয়ে দেওয়ার হচ্ছে। বাংলার ঐতিহ্য গরিমা ওরা জানে না, আসলে বাংলাকে ভয় পায়।














