বারাসত শহরে কালীপুজো উদযাপনে দর্শনার্থীর ভিড় এবারও নজর কেড়েছে। এ বছরই কালীপুজো দুই দিন আগে থেকেই শহর ও মধ্যমগ্রামে দর্শকরা ভিড় করতে শুরু করেছেন। সন্ধ্যা যত এগিয়েছে, ভিড় তত বেড়েছে। শহর জুড়ে রঙিন আলোকসজ্জা এবং রকমারি মণ্ডপ দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করেছে। কিন্তু ঠাকুর দেখতে বের হওয়া দর্শনার্থীরা বারাসতে পুলিশের ব্যারিকেড এবং নো এন্ট্রি দেখে চরম অসুবিধায় পড়েছেন।
পুলিশ আগে ঘোষণা করেছিল, কালীপুজোর দিন ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক সচল রাখবে এবং কলকাতা-উত্তরবঙ্গ যোগাযোগের জন্য ওয়ানওয়ে ব্যবস্থা করবে। কিন্তু বাস্তবে, ভিড়ের কারণে সড়ক বন্ধ করতে হয়েছে। ফ্লাইওভার পেরিয়ে চাঁপাডালি মোড়, হেলাবটতলা মোড় ও ডাকবাংলো মোড়ে ব্যারিকেড বসিয়েছে পুলিশ। সন্ধ্যার পর জাতীয় সড়কে সমস্ত যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
বারাসতের বাসিন্দা সন্দীপ মিত্র বলেন, হেলাবটতলা মোড়ে চারপাশ থেকে ব্যারিকেড। বিকেল থেকেই কলোনি মোড়ে বাইক আসতে দিচ্ছে না। অনেকটা পথ অলিগলি ঘুরে দোকানে আসতে হয়েছে।
তবুও, দর্শকরা দুপুর থেকেই প্যান্ডেল হপিং শুরু করেছেন। নবপল্লির আমরা সবাই ক্লাবের দ্বারকা সাম্রাজ্য, নবপল্লি অ্যাসোসিয়েশনের ইসকনের চন্দ্রোদয় মন্দির, কেএনসি রেজিমেন্ট, ছাত্রদল, তরুছায়া, সন্ধানী, পাইওনিয়ার, বিদ্রোহী সংঘের পুজোতে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ঘণ্টার পর ঘণ্টা গাড়ি ও বাইকে অপেক্ষা করতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে।
মধ্যমগ্রামে ভিড় থাকলেও পুলিশের কঠোরতা কম থাকায় দর্শনার্থীরা নির্বিঘ্নে মণ্ডপ দেখেছেন। প্রতি বছর সাংবাদিকদের জন্য ভেহিকল পাস ইস্যু করা হয়। কিন্তু এ বছর পুলিশ তাঁদের কাজে বাধা দিয়েছে। বারাসতের সাংবাদিকরা পুলিশের এই আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।















