Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

বিঘার পর বিঘা ফসলের জমি জলের তলায়

বিঘার পর বিঘা ফসলের জমি জলের তলায়

দক্ষিণ বঙ্গের বিভিন্ন জেলা প্লাবিত। আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্য সরকার বন্যা কবলিত বলে ঘোষণা করেনি। কিন্তু পরিস্থিতি যা তাতে বলা যেতে পারে ক্রমাগত বৃষ্টি এবং ডিভিসি যদি নতুন করে জল ছাড়ে তাহলে ডুববে বহু এলাকা।
দক্ষিণবঙ্গের সবথেকে খারাপ অবস্থা হুগলি জেলা।বিশেষ করে আরামবাগ মহকুমা। লাগোয়া বাঁকুড়া জেলার অবস্থাও অত্যন্ত খারাপ। এছাড়া নদীয়া জেলার বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত।

 

শহরাঞ্চলে জল যন্ত্রণায় জেরবার মানুষ। এক মাসের বেশি জল দাঁড়িয়ে রয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। জল নামানোর কোন উদ্যোগ প্রশাসনের তরফে নেই বলে স্থানীয় মানুষের অভিযোগ। এছাড়া হাওড়া জেলা জলভাসি। ডিভিসির ছাড়া জলে বহু এলাকা জলমগ্ন। সব মিলিয়ে কয়েক লক্ষ মানুষ বিপন্ন। হুগলি জেলার বহু কৃষি জমি জলের তলায়। শেষ মুহূর্তে যে চাষ হয়েছিল তা সম্পূর্ণ নষ্ট। শাকসবজি, ধান এবং আলু জলের তলায়। কৃষকরা বলেছেন যদি এই অবস্থা চলতে থাকে তাহলে আরো পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর হবে।

 

ইতিমধ্যেই প্রশাসনের তরফে প্রাণ পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সচিব পর্যায়ে গঠন করে দিয়েছিলেন। তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় মানুষের অভিযোগ প্রশাসনের তরফে কোন ব্যবস্থাই নেয়া হয়নি। এমনকি তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত নেতারা পর্যন্ত সাধারণ মানুষের কাছে এসে সামান্য প্রাণও পৌঁছে দেননি। এই অবস্থায় কৃষি জমি বিপন্ন। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা বিপন্ন। আরামবাগের পাঁচটি পঞ্চায়েত এলাকা জলের তলায়। নলকূপ গুলি ডুবে গিয়েছে। এরফলে পানীয় জলের হাহাকার দেখা দিয়েছে।

 

বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হয়েছে। এর ফলে পরিস্থিতি আরো ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে।
আরামবাগ থেকে বাঁকুড়া পুরুলিয়া যাওয়ার জাতীয় সড়কের উপর জল দাঁড়িয়ে গিয়েছে। যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন। নিচু গাড়ি চলাচল প্রায় বন্ধ। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন যদি জল না কমে এবং ডিভিসি জল ছাড়া বন্ধ না করে তাহলে বন্যা হতে বাধ্য।

READ MORE.....