দুর্গাপুর-ফরিদপুর ব্লকের লাউদোহার ফরিদপুর থানার রাঙ্গামাটি এলাকার গৃহবধূ আলিয়া বিবি—যিনি চলতি বছরের ১৬ আগস্ট থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ ছিলেন। শেষমেশ এলাকার একটা প্রত্যন্ত নির্জন জায়গার কুঁয়োর থেকে মেলে পচাগলা মৃতদেহ। উল্লেখ্য ৩১ আগস্ট শ্রীকৃষ্ণপুর এলাকার একটি কুয়ো থেকে উদ্ধার হয় তাঁর দেহ। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রেমঘটিত দ্বন্দ্বেই ঘটে গিয়েছিল এই নৃশংস খুন। ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠানো হয় আসানসোল জেলা হাসপাতালে।
প্রাথমিক তদন্তে প্রথমে ধরা পড়ে আলিয়ার এক প্রেমিক শেখ লালন। তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদেই মেলে দ্বিতীয় প্রেমিকের নাম, ৩৯ বছরের শেখ সালাউদ্দিন। ১৪ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার হয় সালাউদ্দিন। দুর্গাপুরের ডেপুটি কমিশনার অভিষেক গুপ্তা মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে জানান, জেরায় সালাউদ্দিন স্বীকার করেছে, সকাল থেকেই আলিয়াকে খুন করার ছক কষেছিল। সন্ধ্যায় গলায় কাটারির কোপ বসিয়ে দেয়।
মৃত্যু নিশ্চিত করতে গলায় ইট বেঁধে পার্শ্ববর্তী কুয়োতে দেহ ফেলে দেয়। আলিয়া বিবি সেখ সালাউদ্দিনকে ফোন করে ব্ল্যাকমেইল করছিল বলেও কারণ জানা গেছে। স্থানীয়রা ৩১ আগস্ট পচা গন্ধ পেয়ে প্রথম দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ সালাউদ্দিনের কাছ থেকে দুটি গোপন ফোন নম্বর ও ১৮ হাজার টাকা এবং খুনে ব্যবহৃত কাটারি বাজেয়াপ্ত করেছে। আলিয়ার সঙ্গে সালাউদ্দিনের যোগাযোগ ছিল এই গোপন নাম্বারগুলির মাধ্যমেই পরিষ্কার। খুনের পেছনে অন্য কোনো আর্থিক বা ব্যক্তিগত কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।















