Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

ভাতা নয় টাটা চাই, সিঙ্গুরে বললেন সুকান্ত

ভাতা নয় টাটা চাই, সিঙ্গুরে বললেন সুকান্ত

আগামী ১৭ ও ১৮ জানুয়ারি মালদা ও সিঙ্গুরে সভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকে একাধিক সরকারি প্রকল্প ও রেলের উদ্বোধন করবেন। বুধবার সেই সভাস্থল পরিদর্শন করেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সিঙ্গুরের সাহানাপাড়া গ্রামে ঘুরে প্রধানমন্ত্রীর সভার আমন্ত্রণ পত্র বিলি করেন তিনি। সেখানে বেশ কিছু পরিবারের সঙ্গেও কথা বলেন। পরে যে মাঠে সভা হবে সেই মাঠে সাংবাদিক বৈঠক করে সুকান্ত বলেন, ‘শিল্পের কতটা প্রয়োজন সেটা সাধারণ মানুষকে আমরা বোঝাবো। আমরা যাদের কাছে গেছি তারাই বলেছে, ‘ভাতা নয় টাটা চাই’। মানুষ স্বেচ্ছায় জমি দেবে।

 

শিল্প না হলে শিক্ষিত ছেলেরা কোথায় যাবে, তারা কি ঘুগনি বিক্রি করবে, আর সবাই যদি ঘুগনি বিক্রি করে তাহলে খাবে কে! ‘পিসি আর ভাইপো’। টাটার জমি এখন শ্মশান আর মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে’। একসময় মমতার ধরনা মঞ্চে দেখা গিয়েছিল রাজনাথ সিং কে। সে প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, তখন এনডিএ-এর অংশ ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি যেহেতু এই রাজ্যের এনডিএ-কে লিড করতেন, তার আন্দোলনের শুরুর দিকে ভারতীয় জনতা পার্টির কোন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আসেনি। যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তখন সহকর্মী হিসেবে রাজনাথ সিং এসেছিলেন। এটা ছিল রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সৌজনতা বোধ।

 

তখন বিজেপির রাজ্যেই টাটা গেছে, আমরা তাকে দু’হাত এগিয়ে সানন্দে গ্রহণ করেছিলাম। বিজেপি পারে শিল্পায়ন করতে, আমরা বিভিন্ন রাজ্যে করে দেখিয়েছি। এদিন সুকান্ত আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে আপনারা শুনতে আসুন। নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে মমতার পতন হবে এই সিঙ্গুর থেকে। আমি দায়িত্ব নিচ্ছি, টাটার সঙ্গে কথা বলব যাতে সিঙ্গুরে শিল্প করে। পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের কাজ চাই। সিঙ্গুরে শিল্প হবে’। এনিয়ে পাল্টা সুকান্তকে আক্রমণ করে সিপিএমের হুগলি জেলা সম্পাদক মন্ডলির সদস্য সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।

 

বলেন, দেশের মানুষ ও রাজ্যের মানুষ জানে এটা পুরোটাই ভাওতাবাজি। তৎকালীন সময়ে সিঙ্গুর থেকে টাটা কে তাড়ানোর জন্য তৃণমূলের মঞ্চে যোগ দিয়েছিল বিজেপি। তখন তাদের একটা বড় অংশ তৃণমূলের মধ্যেই ছিল। শুভেন্দু অধিকারী, লকেট চ্যাটার্জি তারা তখন তৃণমূলে ছিল। শিল্প বিজেপি করবে না গোটা দেশে শিল্প বিক্রি করছে বিজেপি। দিল্লিতে বসে আছে বড় চোর আর রাজ্যে যিনি আছেন তিনি ছোট চোর। যার বেশি ক্ষমতা সে দেশের সম্পদ ব্যাংক-বীমা-আরাবল্লী পর্বত বেচে দিচ্ছে। আর এ এখানে কয়লা-বালি-সোনা-গরু এগুলো বেঁচে।

 

বামফ্রন্ট ক্ষমতা থাকাকালীন রাজ্যে শিল্প এসেছিল, আর চোদ্দ বছরে গোটা রাজ্যটা মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য প্রসঙ্গে গোপালনগর অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি অমিয় ধারা বলেন, যে জায়গায় মানুষ আন্দোলন করেছিল গোপালনগর, ঘোষপাড়া বেড়াবেড়ি সেই জায়গায় তিনি যান নি।

 

তিনি গোপালনগরের একটি অন্য সাইডে গেছেন, যেখানকার লোক আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিল না। তারা সিপিএম করত, তারা কিছু জমি দিয়েছিল, তারাই এখন জামা পাল্টে বিজেপি হয়েছে। তাদের কাছে এসে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেল। সিঙ্গুরে টাটা করতে এসে সে নিজেই টা-টা হয়ে যাবে। এর আগে লকেট চট্টোপাধ্যায় ও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, আমাকে জেতালে আমি টাটা কে ফিরিয়ে আনব। তিনি হেরে অবসর নিয়েছেন।

READ MORE.....