Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

মধুচক্রে শাসক-যোগ

মধুচক্রে শাসক-যোগ

মধুচক্রে শাসক-যোগ। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মার্কেট কমপ্লেক্সের ওই ঘরে চলছিল মধুচক্রের আসর। উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলা বাইপাস থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে থাকা আবাসিক এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে চালানো হচ্ছিল মধূচক্র। বিরোধীদের দাবি, প্রভাবশালীর দাপটে স্থানীয়রা সব জেনেও ঘটনার বিরোধ করতে পারতেন না।

বুধবার গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে ডালখোলা পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত ডালখোলা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান প্রার্থনা বাড়ৈ বিশ্বাসের স্বামী বিনয় বিশ্বাস ও তাঁর ভাশুর বিমল বিশ্বাসের মার্কেট কমপ্লেক্সের দোতলার ঘরে হানা দেয় পুলিশ। তল্লাশি চালিয়ে এক পুরুষ সহ তিন মহিলাকে আটক করা হয়। কমপ্লেক্সের দোতলায় আরও কয়েকটি ঘরে বিভিন্ন কোম্পানির কর্মীদের ভাড়া দেওয়া হত। অভিযানের পর পুলিশ দোতলায় যাওয়ার মূল দরজায় তালা লাগিয়ে দিয়েছে।

 

এই ঘটনায় বিজেপির উত্তর দিনাজপুর জেলা কমিটির সহ সভাপতি সুভাষ গোস্বামীর বক্তব্য, ‘তৃণমূল সমাজবিরোধীদের দল। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এরা সব ধরনের অবৈধ কাজ করছে। এটা নতুন কিছু নয়।
পুলিশের নাকের ডগায় ডালখোলা পুর এলাকায় মার্কেট কমপ্লেক্সের ওপর ঘর বানিয়ে তাতে বহুদিন ধরে দেহব্যবসা চালাচ্ছিলেন তৃণমূল প্রধানের স্বামী ও তাঁর দাদা। তাঁদের দাপটে স্থানীয়রা প্রতিবাদ জানাতে ভয় পান। আমরা পুলিশকে এ নিয়ে বহুবার বলেছি।

কিন্তু পুলিশ এতদিন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। ওই নেতার বিরুদ্ধে এর আগেও জাল মদ তৈরি এবং জুয়ার আসর বসানোর অভিযোগ। তৃণমূলের প্রধানের স্বামী প্রভাব খাটিয়ে সব ধরনের বেআইনি কার্যকলাপ চালাচ্ছেন।’
যদিও এ ব্যাপারে ডালখোলা পুরসভার চেয়ারম্যান স্বদেশচন্দ্র সরকার বলেন, ‘এই ঘটনা তাঁর জানা নেই। তবে কেউ যদি এই ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত থাকে তার দায় দল নেবে না। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ হলে দল কাউকে রেয়াত করবে না।’

 

ডালখোলা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের ভাশুর বিমল বিশ্বাস বলেন, ‘ওপরের ঘরে কোম্পানির কয়েকজন স্টাফ থাকতেন। তাঁরা ঘর ছেড়ে দিয়েছেন। তাই ঘর পরিষ্কার করার জন্য শ্রমিকদের আনা হয়েছিল। পুলিশ তাঁদেরকেই আটক করে থানায় নিয়ে গিয়েছে। কোনও অসামাজিক কাজ আমাদের এখানে হয় না। চক্রান্তের শিকার হয়েছি আমরা।’

READ MORE.....