বুধবার দুর্গাপুর এসিডও অফিসের সামনে ধুন্ধুমার কান্ড পুলিশ ও কংগ্রেস কর্মীদের মধ্য। শহরে তিন দিন ধরে অটো ও মিনিবাস পরিষেবা বন্ধ থাকায় সমস্যায় শহরবাসী। সবকিছু দেখেও প্রশাসন নির্বিকার। মিনিবাস, অটো বন্ধের প্রতিবাদে বুধবার কংগ্রেসের কর্মীরা মহকুমা শাসকের অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নিউ টাউনশিপ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টায় কংগ্রেস কর্মীদের সঙ্গে বচসা এবং ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পরে পুলিশ। বিক্ষোভকারী কংগ্রেস নেতাকর্মীদের অভিযোগ, দুর্গাপুর শহরে সোমবার থেকে মিনিবাস ও অটো পরিষেবা বন্ধ। অথচ প্রশাসনের হেলদোল নেই। কংগ্রেস কর্মীদের মহকুমা শাসকের দপ্তরে ঢুকতে বাধা দেয় পুলিশ। যার জেরে বচসা শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে।
অভিযোগ, ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয় জেলা কংগ্রেস সভাপতিকে। এর পরেই পুলিশের সঙ্গে প্রবল ধস্তাধস্তি শুরু হয় ক্ষিপ্ত কংগ্রেস কর্মীদের। ঘটনায় আটক করা হয়েছে এক কংগ্রেস কর্মীকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন নিউ টাউনশিপ থানার ওসি নাসরিন সুলতানা। তাঁর সঙ্গেও বচসায় জড়িয়ে পড়েন জেলা কংগ্রেসের সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী। জেলা কংগ্রেস সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী বলেন, দূর্গাপুরের সাধারণ মানুষ, শ্রমিক, ছাত্রছাত্রী, মহিলা, বৃদ্ধবৃদ্ধা থেকে অসুস্থ রোগী সবাই অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন। অথচ প্রশাসন নির্বিকার।
কানে তুলো আর পিঠে কুলো নিয়ে বসে আছে ‘অপদার্থ’ প্রশাসন দুর্গাপুরে। তিন দিন মিনিবাস এবং অটো বন্ধ। সমস্যায় পড়ছেন স্কুল-কলেজের পড়ুয়া থেকে শুরু করে বয়স্ক মানুষ। সকলেরই অসুবিধা হচ্ছে। এর পরেও কোনও পদক্ষেপ করেনি প্রশাসন। তিনি বলেন, অবিলম্বে দূর্গাপুরের সমস্ত রুটে সরকারি বাস পরিষেবা চালু করতে হবে প্রশাসনকে। পাশাপাশি এই দিনের বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি জমা দেওয়ার কর্মসূচিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জেলা কংগ্রেসের সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী জানান, পুলিশ শাসকদলের দলদাস হয়ে কাজ করছে। যথা শীঘ্র সম্ভব সমস্যার সমাধান না হলে আগামীদিনে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে জেলা কংগ্রেস বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তবে এই বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি পুলিশ ও মহকুমা শাসকের।













