এবার কোচবিহার জেলায় সীমান্ত সুরক্ষায় বাড়তি জোর রাজ্য সরকারের।প্রশাসনিক বৈঠকে এনিয়ে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক এবং জেলার আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।সেই লক্ষ্যে কোচবিহার জেলায় নতুন করে ২১০একর জমি বিএসএফ-কে হস্তান্তর করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
পাশাপাশি, বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায়, সেখানে মাদকপাচার ও চাষ নিয়ে প্রশাসন ও পুলিশকে কঠোর পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দিয়েছে শুভেন্দু।মঙ্গলবার বৈঠক শেষে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তর করা হবে।দেশকে সুরক্ষিত করতে গেলে, আগে বর্ডার সুরক্ষিত করতে হবে।২১০একর জমি আমরা বিএসএফ-কে দিচ্ছি।এর আগেও তিন ধাপে বিপুল পরিমাণ জমি সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয় রাজ্য সরকারের তরফে।সেই জমিতে ইতিমধ্যে বিএসএফ-এর তরফে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া শুরু হয়েছে।
যদিও, বাংলাদেশের দিক থেকে বিজিবি এবং সেখানকার দুষ্কৃতীরা বিএসএফ-এর কাজে বাধা সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ।তবে, সেই বাধা অতিক্রম করেই সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ চলছে।এর পাশাপাশি, সীমান্তবর্তী জেলা কোচবিহারে মাদকপাচার ও মাদক চাষ নিয়েও কঠোর হতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু।সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে গাঁজা, আফিমের মতো মাদক ভারতে ঢোকানোর বিরুদ্ধে অভিযানের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করতে বলেছেন তিনি।শুভেন্দু বলেন,পরিষ্কার কথা বলা হয়েছে, কোনওরকম সিন্ডিকেট চলবে না।
বাংলাদেশ বর্ডার এলাকায় যত অবৈধ নেশা, আফিম, গাঁজা চাষ হচ্ছে সব পুড়িয়ে দিতে হবে।যারা করেছে তাদের সবার বিরুদ্ধে এনডিপিএস আইনে মামলা রুজু করে গ্রেফতার করতে হবে।পুরো জেলা জুড়ে নেশামুক্ত অভিযান চালাতে হবে।এটা বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জেলা।এখানে কোনও ফাঁক রাখা যাবে না।মহিলা ও নাবালিকাদের উপর নির্যাতনের বিরুদ্ধেও সরকার কঠোর মনোভাব নিয়ে চলবে বলে ফের দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী।এই প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য,ছোট বাচ্চা, বোন, দিদি, মহিলাদের উপর যে আঙুল তুলবে, তার আঙুলটাকে ভাঙতে হবে।কোচবিহারের সাহেবগঞ্জ থানায় নাবালিকার সঙ্গে হওয়া ঘটনায় পুলিশ প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ করেছে বলে জানান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।














