হাইকোর্টের নির্দেশের পরেও কাটল না জট। চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজের সময় নিয়ে বুধবারের হাইভোল্টেজ বৈঠকেও মিলল না চূড়ান্ত সমাধান। অরেঞ্জ লাইনের অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৬৬ মিটার অংশ জুড়ে দেওয়ার জন্য সময় চেয়েছিল মেট্রো কর্তৃপক্ষ। কিন্তু উৎসবের মরশুমে যানজটের আশঙ্কায় সেই প্রস্তাব আপাতত নাকচ করে দিয়েছে কলকাতা পুলিশ। আপাতত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সময় নেওয়া হয়েছে দুই তরফ থেকেই। ১৯ ডিসেম্বর হাইকোর্টে এই নিয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা।
এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পুলিশের কমিশনার মনোজ ভার্মা, বিধাননগর পুলিশ ও পুরসভার আধিকারিকরা। ছিলেন মেট্রো এবং আরভিএনএল-এর শীর্ষ কর্তারাও। মেট্রোর তরফে প্রস্তাব দেওয়া হয়, ডিসেম্বর শেষ ও জানুয়ারি শুরুতে সপ্তাহান্তের রাতের দিকে কাজ করতে দেওয়া হোক। কিন্তু পুলিশ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, বছরের শেষে উৎসবের ভিড় সামলানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। ফলে ওই সময়ে রাস্তা আটকে কাজ করা কার্যত অসম্ভব। পুলিশের আপত্তিতে ফের বড়সড় ধাক্কা খেল প্রকল্পের কাজ। মেট্রো আধিকারিকদের মতে, দিনের পর দিন কাজ ফেলে রাখলে গোটা প্রকল্পটি গভীর সংকটে পড়বে।
দ্রুত কাজের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে লালবাজারের ওপর চাপ বাড়িয়েছে তারা। চিংড়িঘাটার এই সামান্য অংশ জুড়ে দিতে না পারায় অরেঞ্জ লাইনের পূর্ণাঙ্গ পরিষেবা শুরু করা যাচ্ছে না। মেট্রো স্পষ্ট জানিয়েছে, এই অচলাবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলে যাত্রীরাই সমস্যায় পড়বেন। বৃহস্পতিবার সম্ভবত পুলিশ এবং মেট্রো কর্তৃপক্ষ ফের আলোচনায় বসবে। সেখানে নতুন কোনও সময়সূচি স্থির করা হয় কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে আমজনতা। হাইকোর্টের ডেডলাইন মাথায় রেখে বৃহস্পতিবারই চূড়ান্ত দিনক্ষণ স্থির হতে পারে বলে সূত্রের খবর। আপাতত ৩৬৬ মিটারের জট ছাড়িয়ে কবে ট্রেন ছুটবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই গেল।














