Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

যুব তৃণমূল কর্মী খুনে, অভিযুক্ত দুষ্কৃতীরা বিজেপি আশ্রিত — অভিযোগ তৃণমূলের

যুব তৃণমূল কর্মী খুনে, অভিযুক্ত দুষ্কৃতীরা বিজেপি আশ্রিত — অভিযোগ তৃণমূলের

পঞ্চায়েতের প্রধানের ছেলে ও সক্রিয় তৃণমূল কর্মী অমর রায়কে গুলি করে খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল এলাকা। শনিবার বিকেলে বাজারে কেনাকাটা করার সময় চার দুষ্কৃতী হেলমেটে মুখ ঢেকে মোটরবাইকে এসে পরপর গুলি চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই মারা যান অমর রায়। জানা গেছে, হাটের মাঝের ফলবাজারেই পড়েছিল তাঁর দেহ, পাশে ছড়িয়ে ছিল কেনা সবজি।

ঘটনার পর থেকেই ডাউয়াগুড়ি বাজারে দোকানপাট বন্ধ রেখে প্রতিবাদ জানান ব্যবসায়ীরা। রবিবার সকালে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকেও বিক্ষোভ মিছিল হয়। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন কোচবিহারের সাংসদ জগদীশ বর্মা বসুনিয়া, জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক, মহিলা তৃণমূলের জেলা সভানেত্রী শুচিস্মিতা দেবশর্মা সহ বহু নেতা-কর্মী।

সাংসদ জগদীশ বর্মা বসুনিয়া অভিযোগ করেন, বিজেপির পায়ের তলার মাটি সরে গেছে বলেই তাদের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এমন ঘটনা ঘটাচ্ছে। জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক বলেন, অমর রায় দলের একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। এই হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

দলের পক্ষ থেকে মৃতকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়। তৃণমূলের দাবি, দুষ্কৃতীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে। একইসঙ্গে পুলিশকে নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের আহ্বান জানানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসা উদ্ধার হয়েছে। দুষ্কৃতীরা কোন দিক দিয়ে পালিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজও পরীক্ষা করা হচ্ছে।

এদিকে রাজনৈতিক তরজা আরও বাড়ছে। তৃণমূলের দাবি, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাতেই অমর রায় খুন হয়েছেন। অন্যদিকে বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শনিবার বাজারে ভিড় ছিল প্রচুর। ঠিক সেই সময় গুলি চালানো হয়, ফলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বহু ক্রেতা ও ব্যবসায়ী দিকবিদিক ছুটতে থাকেন। এই ঘটনার পর এলাকা জুড়ে নিরাপত্তা বাড়িয়েছে পুলিশ।

ঘটনায় শোকস্তব্ধ পরিবার ও দলীয় কর্মীরা। তদন্তে নেমে কোচবিহার জেলা পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধীদের শনাক্ত করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

READ MORE.....