শনিবার দুপুর থেকে তুষারপাত শুরু হয়েছে দক্ষিণ সিকিমের ভালেধুঙ্গা এবং ইয়াংগাং-এ। নতুন বছরের শুরুতেই তুষারপাতের নৈসর্গিক দৃশ্য উপভোগের সুযোগ পেয়ে আত্মহারা পর্যটকেরা। শনিবার রেকর্ড ভিড় ছিল ছাঙ্গু উপত্যকা, নাথু-লা পাস, বাবা মন্দির এলাকায়। এর মধ্যেই তুষারপাত পর্যটকদের কাছে ছিল বাড়তি পাওনা। বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে উত্তর সিকিমের ইয়ুমথাং এবং জিরো পয়েন্টে শুরু হয় তুষারপাত। সেখানে ভিড় করেন কয়েক হাজার পর্যটক।
কিন্তু মন খারাপ ছিলো পূর্ব সিকিমের। ছাঙ্গু উপত্যকা থেকে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের অনেকেই চলে যান পূর্ব সিকিমের লাচুং, লাচেনে। সেখান থেকে ইয়ুংথাং উপত্যকা ও জিরো পয়েন্টে। কিন্তু শনিবার সকাল থেকে মেঘলা আকাশ। সঙ্গে হালকা বৃষ্টি পালটে দেয় উত্তর সিকিমের বরাত! কাতারে কাতারে পর্যটক তুষারপাত দেখতে পাড়ি জমান ছাঙ্গু উপত্যকায়। এরপর দুপুর থেকে শুরু হয় ভারী তুষারপাত।
বরফের সাদা কার্পেটে রাস্তা, পাহাড় সব একেবারে মুড়ে যায়। পেজা তুলোর মতো হাওয়ায় ভাসতে শুরু করে তুষারকণা। সারি দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ইয়াকগুলোর পশম সাদা হয়ে যায়। তুষারপাতের এমন মুহূর্ত পেয়ে আত্মহারা পর্যটকেরা সেলফিতে, বরফের দলা পাকিয়ে খুনসুটিতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ শনিবার শুধু নয়, আগামিকাল রবিবারেও ভারী তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে সিকিমে।














