সোমবার সন্ধ্যা ছ’টার পর দিল্লির রেড ফোর্ট মেট্রো স্টেশনের বাইরে আচমকাই একটি গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনে পুড়ে যায় গাড়িটি, আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। ঘটনায় অন্তত ১১ জন নিহত ও ২০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বিস্ফোরণের পরই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল, বোম্ব স্কোয়াড ও স্পেশাল সেল। পুলিশ জানিয়েছে, এটি সম্ভবত পরিকল্পিত হামলা, যদিও তদন্ত চলছে। দিল্লিজুড়ে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং মেট্রো, বিমানবন্দর ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।
এর জেরে রাজ্যজুড়েও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বীরভূম জেলা প্রশাসন শুরু করেছে নাকা তল্লাশি। বিশেষ করে পাথরচাপরি গেটের কাছে পুলিশের কড়া চেকিং চলছে, প্রতিটি গাড়ি থামিয়ে যাচাই করা হচ্ছে। প্রশাসনের নির্দেশ, কোনো সন্দেহজনক কিছু দেখলেই দ্রুত থানায় খবর দিতে হবে। এই ঘটনায় গোটা দেশজুড়েই ফের ছড়িয়ে পড়েছে উদ্বেগের ছায়া।
নিরাপত্তা সংস্থা ও প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে বীরভূম জেলার একাধিক বাস স্ট্যান্ড ও রেল স্টেশন পুলিশের অভিযান চলছে। রামপুরহাট রেল স্টেশনে রেল পুলিশের পক্ষ থেকে প্লাটফর্ম এবং ট্রেনের কামড়ায় চিরুনি তল্লাশি উজান চালানো হচ্ছে। বীরভূম জেলার সদর শহর সিউড়িতে ও পুলিশের অভিযান। সিউড়ি থানার আইসি, সঞ্চয় ব্যানার্জীর নেতৃত্বে জেলা পুলিশের আধিকারিকরা সিউড়ি শহরের বেসরকারি হোটেল গুলোতে অভিযান চালায়। হোটেলের রেজিস্টার খতিয়ে দেখা হয়।














