Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

রাজ্যের যুবদের ভরসা মুখ্যমন্ত্রীই যুবসাথী নিয়ে উচ্ছ্বসিত শশী-চন্দ্রিমা

রাজ্যের যুবদের ভরসা মুখ্যমন্ত্রীই যুবসাথী নিয়ে উচ্ছ্বসিত শশী-চন্দ্রিমা

সরকারি শিবিরের বাইরে তখন থিকথিকে ভিড়। রবিবার ছুটির সকালেও খিদমতগারের সামনে লম্বা লাইন। কারও হাতে এমএ-র সার্টিফিকেট, কেউ আবার বিজ্ঞানের স্নাতক। রাজ্যে ফের শুরু হয়েছে ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের আবেদন গ্রহণ। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পাশাপাশি এবার বেকার যুবক-যুবতীদের পকেটে পৌঁছে যাবে সরকারি অনুদান।

 

শহর থেকে জেলা, সর্বত্রই ছবিটা এক। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে রাজ্যের বেকার প্রজন্মের হৃদস্পন্দন বা ‘পালস’ ধরতে পেরেছেন, সে কথা জোর দিয়ে জানিয়েছেন নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। তাঁর মতে, মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে রাজ্য সরকার তাঁদের প্রতি দায়বদ্ধ। শশী পাঁজা বলেন, ‘ভালও যেমন লাগছে, তাঁদের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতাও আছে।

 

ইতিমধ্যে মানুষ আসতে আরম্ভ করেছেন। তাঁরা ফর্ম তুলবেন, এই প্রকল্প নিয়ে জানবেন ফলে বোঝাই যাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা ভেবেছেন এটা সত্যিই যুবদের পালস স্পর্শ করেছে। তাই আমরা তাড়াতাড়ি চাইছি এই প্রকল্প দ্রুত চালু হোক।’ এই অনুদানকে বেকারদের এগিয়ে যাওয়ার রসদ হিসেবে দেখছেন রাজ্যের অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যও। বিরোধীদের বিঁধে তিনি বলেন, ‘যে যুবকরা চাকরি পাচ্ছেন না তাঁদের বুস্টআপ করার জন্য একটা পাঁচ বছরের টাকা দেওয়া হচ্ছে। তাতে ওদের অসুবিধা কী?

 

আগে তো লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়েও কথা বলত, এখন বিজেপি বলে যে ক্ষমতায় এলে তিন হাজার টাকা দেব। সেটা কি অন্য হয়ে যায় নাকি।’ এদিকে কলকাতার ঘনবসতির কথা মাথায় রেখে পুরসভা এবার বিশেষ তৎপরতা নিয়েছে। প্রতিটি বরো অফিসের পাশাপাশি রাসবিহারী, টালিগঞ্জ, বেহালা ও কসবায় খোলা হয়েছে একাধিক বিশাল শিবির। অরূপ বিশ্বাস থেকে দেবাশিস কুমার বিধায়করা ময়দানে নেমে তদারকি করছেন। গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম থেকে শুরু করে চেতলা, পার্ক সার্কাস বা কাশী বোস লেন, সর্বত্রই মিলছে ফর্ম। সরকারের লক্ষ্য, দ্রুত যাচাই পর্ব সেরে সরাসরি অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে দেওয়া।

READ MORE.....