বুধবার গভীর রাত্রে বীরভূমের শান্তিনিকেতন থানার প্রান্তিক রেল স্টেশন সংলগ্ন একটি হোটেলে শান্তিনিকেতন থানার পুলিশ অভিযান চালায়। রবি ঠাকুরের শান্তিনিকেতনের তৃণমূল নেতা হোটেলে মধুচক্রের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। বীরভূমে জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, শান্তিনিকেতন থানার প্রান্তিক রেলস্টেশন সংলগ্ন তৃণমূল নেতার হোটেলে দীর্ঘদিন ধরে মধুচক্র চলছিল। অভিযোগ এসেছিল পুলিশের কাছে। বাইরে থেকে মহিলারা এসে সেই হোটেলে দেহ ব্যবসা করছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই বুধবার রাত্রে শান্তিনিকেতন থানার পুলিশের একটি বিশেষ টিম সেই হোটেলে হানা দেয়।
পুলিশ আটজন যুবতীকে উদ্ধার করেছে হোটেল থেকে। অবৈধভাবে মধুচক্র চালানোর ষড়যন্ত্রে তৃণমূল নেতা ঘনিষ্ঠ চারজন যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদিনই তাদেরকে বোলপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। শান্তিনিকেতন! রবীন্দ্রনাথের পূর্ণভূমি, তৃণমূল নেতার হোটেলে দেহ ব্যবসা নিয়ে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। বোলপুর বিজেপির সাংগঠনিক জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মন্ডল বলেন, লজ্জায় মাথা হেট হয়ে যাচ্ছে। আমরা কোথায় বাস করছি! শান্তিনিকেতন কবিগুরু জেলা।
সেখানেও তৃণমূল নেতারা হোটেলে দেহ ব্যবসা চালাচ্ছে। ভাবতে পারছিনা। তৃণমূলের এটাই সংস্কৃতি হয়তো। আমরা চাই এদের কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। বিজেপির পাল্টা মধুচক্র নিয়ে মুখ খুলেছে তৃণমূল। বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র জামশেদ আলী খান জানান, ঘটনাটা আমি শুনেছি। অত্যন্ত নিন্দনীয়, তীব্র প্রতিবাদ জানাই। তবে ঘটনার সত্যতা কতটা আছে! সেটা তো তদন্ত সাপেক্ষ। যদি তদন্তে প্রমাণিত হয় তৃণমূলের কোনো কর্মী বা নেতা ইনভল্টমেন্ট রয়েছে। দল কঠোর ব্যবস্থা নেবে।













