Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

শাহের সভায় গরহাজির গৌরসুন্দর, তুঙ্গে বিতর্ক

শাহের সভায় গরহাজির গৌরসুন্দর, তুঙ্গে বিতর্ক

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সভা ঘিরে শনিবার সরগরম ছিল জামালপুর। বিজেপি প্রার্থী অরুণ হালদারের সমর্থনে আয়োজিত এই মেগা ইভেন্টে যখন হেভিওয়েট নেতাদের মেলা, তখনই সবার নজর কাড়ল একটি শূন্যস্থান। মঞ্চে দেখা মিলল না সদ্য গেরুয়া শিবিরে নাম লেখানো এককালীন দাপুটে তৃণমূল নেতা গৌরসুন্দর মণ্ডলের। অন্যদিকে সভা শুরুর সময়সূচি ছিল সকাল দশটা। লোক না হওয়ায় সেই সভা শুরু হয় বিকেল তিনটেয়। এরই মাঝে প্রচণ্ড গরমে অসুস্থ হয়ে পড়েন এক বিজেপি কর্মী। সেই ছবি তুলতে গেলে সাংবাদিকদের বাধা দেন নিরাপত্তারক্ষীরা।

 

কদিন আগেই শমীক ভট্টাচার্যের হাত ধরে ঘাসফুল ছেড়ে পদ্ম শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন গৌরসুন্দর বাবু। কিন্তু সেই যোগদানের খবর চাউর হতেই জামালপুর বিজেপির অন্দরে আড়াআড়ি বিভাজন স্পষ্ট হয়ে ওঠে। স্থানীয় নেতৃত্ব কার্যত বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তাঁদের দাবি ছিল স্পষ্ট— ‘দাগি নেতাদের জায়গা দেওয়া চলবে না।’ এমনকি তাঁকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবিও ওঠে। বিতর্ক আরও উসকে দিয়েছিলেন স্বয়ং বিজেপি প্রার্থী অরুণ হালদার। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, গৌরসুন্দরের সঙ্গে পথ চলা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।

 

 

খোদ প্রার্থীর এই নাছোড় মনোভাবের পর রাজনৈতিক মহল মনে করছে, দলের নিচুতলার কর্মীদের ক্ষোভ প্রশমিত করতেই হাইপ্রোফাইল মঞ্চ থেকে দূরে রাখা হয় এই নতুন সদস্যকে। অমিত শাহের সভায় গৌরসুন্দর মণ্ডলের অনুপস্থিতি মোটেও কাকতালীয় নয়। এটি জেলা বিজেপির আদি বনাম নব্যের লড়াইয়েরই বহিঃপ্রকাশ। বড় নেতার উপস্থিতিতে কোনো রকম বিশৃঙ্খলা এড়াতেই কি তাঁকে দূরে রাখা হলো, নাকি দল তাঁকে নিয়ে পিছু হঠার ইঙ্গিত দিচ্ছে, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন। জামালপুরের রাজনৈতিক সমীকরণে এই ঘটনা যে নয়া মাত্রা যোগ করল, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এখন দেখার, শাহী সফরের পর জেলা বিজেপি এই অভ্যন্তরীণ কোন্দল কীভাবে সামলায়।

READ MORE.....