বর্তমানে চলছে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী ভুল সংশোধন, নাম যাচাই ও অন্যান্য প্রক্রিয়ার জন্য বহু সাধারণ ভোটারের কাছে শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছে।এই আবহেই বিতর্ক উসকে দিলেন হুমায়ুন কোবির।
বৃহস্পতিবার বিকেলে হরিহরপাড়া প্রভাত সংঘ ফুটবল ময়দানে নিজেদের দলীয় সভা থেকে প্রকাশ্য বক্তব্যে তিনি সাধারণ মানুষকে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত শুনানিতে না যাওয়ার বার্তা দেন । শুধু তাই নয়, ভোটার তালিকা থেকে কারও নাম বাদ পড়লে সংশ্লিষ্ট ইআরও বিডিও সহ বিভিন্ন সরকারি আধিকারিকদের দেখে নেওয়া হবে কলার ধরে রাস্তায় নামাব এই ভাষায় সরাসরি হুমকিও দেন তিনি।
হুমায়ুন কোবিরের এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। নির্বাচন সংক্রান্ত একটি সাংবিধানিক ও আইনি প্রক্রিয়ায় অংশ না নিতে মানুষকে আহ্বান এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি আধিকারিকদের প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়াকে গুরুতর বিষয় হিসেবে দেখছেন অনেকেই।প্রশ্ন উঠছে, নির্বাচন কমিশনের কাজের উপর এভাবে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা কতটা আইনসঙ্গত?
একই সঙ্গে সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক। এছাড়াও তিনি সভামঞ্চ থেকে তৃণমূল সরকারের উতখাতের ডাক দেন। চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন আগামী ১৭ তারিখ অভিষেক ব্যানার্জির সভাতে যা লোক হবে তার অধিক লোক নিয়ে বহরমপুরের বুকে সভা করবেন তিনি। এদিন ছিল জনতা উন্নয়ন পার্টির হরিহর পাড়ার মাটিতে প্রথম সভা। সভাতে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। হুমান কবীর ছাড়াও মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন হরিহরপাড়া জনতা উন্নয়ন পার্টির ব্লক সভাপতি বিজয় সেখ, মনীষা পান্ডে সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।













