দুই সপ্তাহের বাবধানে নতুন করে নদী ভাঙন দেখা দিল শ্যামপুর ১ ব্লকের বাসুদেবপুরে। শনিবার রাতে নতুন করে ২০ ফুট এলাকার নদী বাঁধ নদীগর্ভে চলে যায়। নতুন করে আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়। রবিবার সকালেই এলাকায় যান সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা। পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করে এলাকার মানুষকে সর্তক করা হয়। সপ্তাহ দুয়েক আগে এই এলাকায় প্রায় ৬০ ফুট নদী বাঁধ নদী গর্ভে চলে যায়। সেচ দপ্তরের পক্ষ থেকে বাঁশের খাঁচা পাতার পাশাপাশি বস্তার মধ্যে ইটের টুকরো ভর্তি করে নদীর পাড়ে ফেলা হয়। পাশাপাশি জিও শিট দিযে নদীর পাড় ঢেকে দেওয়া হয়।
গত কয়েকদিন ধরে সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা এলাকা পরিদর্শনের পাশাপাশি পোর্ট ট্রাস্ট্রের আধিকারিকরা ও এলাকা পরিদর্শন করেন। সূত্রের খবর নদী ভাঙন রোধে সোমবার পোর্ট ট্রাস্ট্রের আধিকারিকদের সঙ্গে সেচ দপ্তরের আধিকারিকদের বৈঠক হওয়ার কথা। তবে হুগলী নদীর পশ্চিম পাড়ে বিভিন্ন জায়গায় ভাঙনের কারন খুঁজতে নতুন তথ্য সামনে আসছে।
জানা গেছে বছর দেড়েক আগেও বাসুদেবপুর গ্রামে পশ্চিম পাড় থেকে ডিপ চ্যানেলের দূরত্ব ৫৫০ ফুট থাকলেও বর্তমানে সেটা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৩০ ফুটে। ফলে নদী বাঁধের উপর স্রোতের চাপ বাড়ছে। প্রসঙ্গত ২০২২ সালে ব্যাপক ভাঙনের কবলে পড়ে পূর্ব বাসুদেবপুর গ্রামের কয়েকশো মিটার নদী বাঁধ। বর্তমানে ওই এলাকায় ভাঙন দেখা না দিলেও তার থেকে কয়েক কিলোমিটার মধ্যে নতুন করে ভাঙন দেখা দেওয়ায় নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে ওই এলাকায়।














