ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের দ্বিতীয় ও শেষ দিনে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের উপস্থিতিতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন, প্রযুক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হলে তা বিশ্বের সার্বিক অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টি করবে। যদিও তিনি সরাসরি কোনও দেশের নাম নেননি, তবু এই মন্তব্য যে বেজিংয়ের প্রতি ইঙ্গিতপূর্ণ, তা নিয়ে সংশয়ের অবকাশ নেই।
কারণ বিশ্ববাজারে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও বিরল মৃত্তিকা তথা রেয়ার আর্থ মিনারেলসের সরবরাহে চিনের একচেটিয়া আধিপত্য রয়েছে।মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন,প্রযুক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজকে হাতিয়ার করা আমাদের মিলিত অগ্রগতিকে বাধাপ্রাপ্ত করতে পারে। তাই আমরা প্রযুক্তির গ্রহণের ক্ষেত্রে সকলকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টির উপর জোর দিয়েছি। আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধ পরিস্থিতিতে গত বছর চিন বিরল খনিজ এবং উন্নত প্রযুক্তি উৎপাদনে জরুরি অন্যান্য কাঁচামালের রফতানিতে কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছিল। পরবর্তীতে অবশ্য সেই বিধিনিষেধের কিছুটা শিথিল করে বেজিং।
বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ বিরল খনিজ প্রক্রিয়াজাত হয় চিনেই, যা সৌর প্যানেল থেকে স্মার্টফোন পর্যন্ত নানা উন্নত প্রযুক্তিপণ্য তৈরিতে অপরিহার্য।এর আগের দিন রাষ্ট্রনেতাদের বৈঠক শেষে প্রকাশিত যৌথ ঘোষণাপত্রে পহেলগাঁও হামলার নিন্দা এবং যুদ্ধ-বিরোধী অবস্থানের কথাও উঠে আসে। এ দিনের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী ব্রিকস মঞ্চ থেকে ভারতের অবস্থান আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন।















