বাংলাদেশে সংখ্যালঘু যুবক দিপু দাসের নৃশংস হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে তীব্র বিক্ষোভের ছবি ধরা পড়ল। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর ঘোজাডাঙ্গা বন্দরের সামনে এই বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে সনাতনী জাতীয়তাবাদী মঞ্চ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এদিন বিক্ষোভকারীরা ঘোজাডাঙ্গা বন্দরের সামনে বাংলাদেশি ট্রাক আটকে রাস্তা অবরোধ করেন। এর ফলে বেশ কিছুক্ষণ ধরে আমদানি-রপ্তানির কাজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষোভ চলাকালীন বাংলাদেশি ট্রাক চালকদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের বাক্বিতণ্ডাও হয় বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং সীমান্ত এলাকায় যান চলাচল কার্যত স্তব্ধ হয়ে পড়ে।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর একের পর এক অত্যাচার ও হত্যার ঘটনা ঘটছে। দিপু দাসের হত্যাকাণ্ড তারই একটি নির্মম উদাহরণ। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তোলেন তাঁরা। পাশাপাশি, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক স্তরে হস্তক্ষেপের দাবিও ওঠে বিক্ষোভ মঞ্চ থেকে।
ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘোজাডাঙ্গা বন্দরের সামনে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে এবং ধীরে ধীরে রাস্তা অবরোধ তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশের তৎপরতায় বড় কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
এই বিক্ষোভের জেরে সাময়িকভাবে সীমান্ত বাণিজ্যে প্রভাব পড়লেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তবে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে যে ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে, এদিনের বিক্ষোভ তারই স্পষ্ট প্রতিফলন বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজনৈতিক














