উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি দু’নম্বর ব্লকে ফের চাঞ্চল্য। তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির মহিলা সদস্যা দোলন দাসের অভিযোগ, স্থানীয় এক হাই স্কুলের শিক্ষক তথা পঞ্চায়েত সদস্য বিষ্ণুপদ প্রামাণিক তাঁর উপর শারীরিক নিগ্রহ ও শীলতাহানির চেষ্টা চালিয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার বিকেলে, যখন দোলন দেবী টাকির বাপের বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ি সন্দেশখালিতে ফিরছিলেন। অভিযোগ, পথে বিষ্ণুপদ প্রামাণিক তাঁর গাড়ি আটকায়, মারধর করে, জামাকাপড় ছিঁড়ে দেয় এবং মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
দোলন দাস জানান, এক বছর আগে একই শিক্ষক তাঁর ব্যক্তিগত ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল করেছিলেন এবং তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। সে সময় তিনি সন্দেশখালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। ভয় ও লজ্জায় তিনি তখন থেকেই টাকির বাপের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন।
তবে অভিযোগ তোলার সাহস দেখানোর অপরাধে ফের তাঁকে নৃশংসভাবে অপমান ও নিগ্রহের শিকার হতে হয়েছে বলে দাবি করেন দোলন দাস। শনিবার দুপুরে তিনি আবারও সন্দেশখালি থানায় নতুন অভিযোগ দায়ের করেছেন।
পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আক্রান্ত মহিলা ও তাঁর আইনজীবী কালিদাস মণ্ডল জানিয়েছেন, আইন নিজের পথে চলবে, দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। ঘটনায় এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া ও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।















