Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

সুন্দরবনের মাটির নিচে কি লুকিয়ে প্রাচীন সভ্যতা? পড়াকলমীর জঙ্গল ঘিরে নতুন রহস্য

সুন্দরবনের মাটির নিচে কি লুকিয়ে প্রাচীন সভ্যতা? পড়াকলমীর জঙ্গল ঘিরে নতুন রহস্য

নতুন দিন -সুন্দরবন বলতেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে নদী, খাঁড়ি, ম্যানগ্রোভ অরণ্য আর রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের ছবি। কিন্তু এই গভীর অরণ্যের বুকেই হয়তো লুকিয়ে রয়েছে বিস্মৃত ইতিহাসের কোনও অধ্যায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পড়াকলমী যেন সেই অজানা ইতিহাসেরই এক রহস্যময় ঠিকানা। সম্প্রতি জঙ্গলঘেরা এই এলাকায় ছড়িয়ে থাকা পুরনো ইটের টুকরো ও সম্ভাব্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ঘিরে নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। যেখানে আজ ঘন ম্যানগ্রোভ অরণ্য, নদী আর কাদামাটির বিস্তার, সেখানে কি একসময় গড়ে উঠেছিল মানুষের বসতি? ছিল কি কোনও প্রাচীন জনপদ, ধর্মীয় স্থাপনা কিংবা বাণিজ্যকেন্দ্র? এই প্রশ্ন ঘিরেই শুরু হয়েছে ইতিহাসপ্রেমীদের আগ্রহ।

 

ইতিহাসের পাতা বলছে, সুন্দরবন একসময় শুধু দুর্গম অরণ্য ছিল না। এই অঞ্চলের বিভিন্ন প্রান্তে প্রাচীন মানববসতির নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার তিলপি, ঢোসা ও জটার দেউল এলাকায় প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে প্রাচীন স্থাপত্য এবং জনবসতির নানা তথ্য। সেই ইতিহাসের সূত্র ধরেই পড়াকলমীর পুরনো ইটের ধ্বংসাবশেষ নিয়েও তৈরি হয়েছে নতুন অনুসন্ধানের সম্ভাবনা। এখানকার ইটের টুকরোগুলি কি কোনও প্রাচীন স্থাপনার অবশিষ্টাংশ? নাকি নদীর গতিপথ পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে হারিয়ে যাওয়া কোনও জনপদের চিহ্ন?

 

এই প্রশ্নের উত্তর পেতে প্রয়োজন বিশেষজ্ঞ প্রত্নতাত্ত্বিকদের বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান, মাটি পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় খননকার্য। সুন্দরবনের ইতিহাস শুধু নদী, জঙ্গল আর বাঘের কাহিনিতে সীমাবদ্ধ নয়। এর মাটির নিচে হয়তো চাপা পড়ে রয়েছে বহু শতাব্দীর জনজীবন, সংস্কৃতি ও সভ্যতার অজানা ইতিহাস। তাই পড়াকলমীর মতো সম্ভাব্য প্রত্নস্থানের সংরক্ষণ ও গবেষণার দাবি ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। আজও যে অরণ্য রহস্যে ঘেরা, তার মাটির নিচে কি ঘুমিয়ে রয়েছে কোনও হারিয়ে যাওয়া সভ্যতার ইতিহাস? সেই উত্তর পেতে প্রয়োজন প্রশাসন ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের উদ্যোগ।

READ MORE.....