Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

সুরক্ষার নয়, অধিকার কেড়ে নেওয়ার বিল, সংসদে বললেন জুন মালিয়া

সুরক্ষার নয়, অধিকার কেড়ে নেওয়ার বিল, সংসদে বললেন জুন মালিয়া

সাধারণ মানুষের সুরক্ষার জন্য নয় বরং অধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্যই তৈরি হয়েছে এই বিল, সংসদে দাঁড়িয়ে এভাবেই কটাক্ষ করলেন মেদিনীপুরের সাংসদ জুন মালিয়া। মানুষদের জন্য নয়, তাদের বিরুদ্ধে ‘ ন্যাশেন্যাল লিগ্যাল সার্ভিসেস অথোরিটি ভি. ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া’ রায়ে স্পষ্ট বলা হয়েছে নিজের লিঙ্গ-পরিচয় নির্ধারণ করা মৌলিক অধিকার। এই বিল সেই অধিকারটাই কেড়ে নিচ্ছে। আগে আপনি নিজেই বলতেন আপনি কে, এখন আপনাকে প্রমাণ করতে হবে ডাক্তার, বোর্ড, সরকারের সামনে।

 

তাহলে এই বিলে কিভাবে সুরক্ষিত সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুললেন সংসদে। এটা সুরক্ষা নয়, এটা নিয়ন্ত্রণ! বিল বলছে… আপনাকে ‘হিজড়া’ বা ‘কিন্নর’ হতে হবে, অথবা ‘বায়োলজি’ দিয়ে প্রমাণ করতে হবে। কিন্তু পরিচয় শুধু শরীর দিয়ে নির্ধারিত হয় না। পরিচয় আসে ভিতর থেকে। এই বিল বাদ দিচ্ছে কোঠি, খাজা সরা, থিরুনঙ্গাই, নন-বাইনারি মানুষদের। এটা অন্তর্ভুক্তি নয়, বরং এটা পরিকল্পিত বর্জন। মেডিক্যাল সার্টিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এটা সরাসরি আঘাত করছে মর্যাদা, গোপনীয়তা, এবং শরীরের ওপর নিজের অধিকারকে। ‘জাস্টিস কে.এস. পুত্তুস্বামী ভি. ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া’ এই অধিকার নিশ্চিত করেছে। ‘অলুরেমেন্টের’ মতো অস্পষ্ট শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। মানে কী? কেউ জানে না।

 

কিন্তু অপব্যবহার করা যাবে—সহজেই। একজন বন্ধু, এনজিও, বা পরিবার যদি কাউকে নির্যাতন থেকে বের হতে সাহায্য করে তাদের বিরুদ্ধে কেস হতে পারে। এটা সুরক্ষা নয়। এটা ভয় তৈরি করা। ভারতে ট্রান্স মানুষদের বাস্তব সমস্যা কী? শিক্ষা, চাকরি, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা এই বিল এগুলোর কিছুই সমাধান করছে না। অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গ দেখিয়েছে অধিকার কেড়ে না নিয়েও উন্নয়ন সম্ভব। এটা শুধু একটা বিল নয়। এটা একটা প্রশ্ন আমরা কি এমন ভারত চাই যেখানে মানুষকে নিজের পরিচয়ের জন্য অনুমতি নিতে হবে? শেষ কথা ‘নিজের পরিচয় নিজেরই হওয়া উচিত’। রাষ্ট্রের নয়। কোনো বোর্ডের নয়।

READ MORE.....