সবংয়ের তৃণমূল প্রার্থী টানা ৮ বারের বিধায়ক মানস ভুঁইয়া। ৯ বারের বিধায়ক হওয়ার লক্ষ্যে ভোটের ময়দানে সামনের সারিতে। জানালেন, ‘সিপিএমের সন্ত্রাস সবংয়ের মানুষ দেখেছেন। ২৯ জন তৃণমূল কর্মী খুন হয়েছেন। আর এখন ৮০০টি হাই মাস্ট আলো আর ৪০০ সিসি ক্যামেরা বসেছে রাস্তার মোড়ে মোড়ে। যাতে দ্রুত অপরাধী শনাক্ত করা যায়। কলেজ, স্কুল থেকে হাসপাতাল বদলে গেছে সবং।’
জয়ের ব্যবধান বাড়বে? এ প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে জানান, ‘মানুষ ঠিক করে নিয়েছেন তাঁরা চতুর্থ বারের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে পেতে চান। আরো মানবিক প্রকল্পের সুবিধা পেতে।’ তাঁর বিরুদ্ধে যিনি প্রার্থী হয়েছেন সেই অমল পান্ডা ১৯৮৩ সালে আম চিহ্ন নিয়ে বাম সমর্থিত প্রার্থী হয়েছিলেন। এরপর কংগ্রেসে। ২০১৬ থেকে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি থেকে দলের চেয়ারম্যান হয়েছেন। ২০২৬-এর ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে বিজেপিতে যোগ দেন ও প্রার্থী হন। যা মানিয়ে নিতে পারছেন না অমূল্য মাইতি, শিশির কুলভীর মতো আদি বিজেপি নেতারা। অমল পান্ডা জানান, ‘তিনি একটা নতুন দলে যোগ দিয়েছেন। নতুন সংসারে মানিয়ে নিতে কষ্ট, অসুবিধা হচ্ছে। তিনি বিজেপিতে প্রার্থী হতে আসেননি।
দল তাঁকে করেছে। মানুষের কাছে যাচ্ছেন, সাড়া পাচ্ছেন।’ এখনো পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দুবার সভা করে রাজ্য সরকারের কী কী প্রকল্পের সুবিধা মানুষ পেয়েছেন তার উল্লেখ করে গেছেন। হয়েছে ১১২৮টি পাকা রাস্তা। পথশ্রী-৪ প্রকল্পের আওতায় আরো ২০৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করে কাজ শুরু হয়ে গেছে। ২২ হাজার পাকা বাড়ি হয়েছে। যাদের বাকি আছে এই বছর তাঁদের হয়ে যাবে। ৩৮টি নতুন সেতু হয়েছে। সবংয়ের মাদুর জিআই ট্যাগ পেয়েছে। ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের আওতায় মাদুর শিল্পীদের আনা হয়েছে। মাদুর গাছের মুড়া দিয়ে তৈরি হয় সুগন্ধি ও ধূপ।














