হিডকোর নতুন চেয়ারপার্সন পদে দায়িত্ব পেলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। রাজ্যের আবাসন পরিকাঠামো উন্নয়ন পর্ষদ হিডকো-র নতুন চেয়ারপারসন হলেন অর্থ ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। মঙ্গলবার নবান্ন থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি হিডকো ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। নতুন দায়িত্ব পেয়ে চন্দ্রিমা বলেন, আমায় এর জন্য উপযুক্ত মনে করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সে জন্য আমি কৃতজ্ঞ। জান-প্রাণ দিয়ে এই দায়িত্ব পালন করব। ২০২১ সাল থেকে হিডকোর চেয়ারম্যান ছিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ (ববি) হাকিম। তবে গত ডিসেম্বরে তাঁকে সরিয়ে হিডকোর দায়িত্ব অস্থায়ীভাবে তুলে দেওয়া হয় প্রাক্তন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর হাতে।
সেই সময় থেকেই রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়। যদিও ফিরহাদ বিষয়টিকে ‘মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। মূলত ডিসেম্বরেই হিডকোকে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের অধীনে না রেখে আনা হয় প্রশাসনিক সংস্কার ও কর্মিবর্গ দফতরের অধীনে — যে দফতরের দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রীর হাতে। ফলে বোঝাই যাচ্ছে, হিডকোর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সরাসরি নজরে রাখবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই। চন্দ্রিমাকে ওই পদে বসিয়ে কার্যত এক জন মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ এবং বিশ্বস্ত মুখকে সামনে রাখা হল বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।
ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশাসনিক দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল উত্তর দমদমের বিধায়ক চন্দ্রিমার। বর্তমানে তিনি অর্থ ও স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিমন্ত্রী, রাজ্যের বাজেট পেশ করেন এবং মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী হিসেবেও দায়িত্ব সামলান। এবার সেই তালিকায় যোগ হল হিডকোর চেয়ারম্যান পদ।
শুধু তাই নয় চলতি বছরের মে মাসে চন্দ্রিমার দায়িত্ব আরো বাড়িয়ে আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের হাত থেকে দলের লিগাল সেলের দায়িত্ব তুলে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তার সঁপে দিয়েছিলেন চন্দ্রিমার হাতে। মলয় ঘটক দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের লিগাল সেলের দায়িত্বে ছিলেন। মলয় ঘটক রাজ্যের আইনমন্ত্রী-ও। সিপিএম আমলে হিডকো ছিল আবাসন দফতরের অধীনে। তখন আবাসনমন্ত্রী হিসেবে সিপিএম নেতা গৌতম দেব ছিলেন চেয়ারম্যান।













