Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

হুমায়ুনকে কুণালের কড়াবার্তা

হুমায়ুনকে কুণালের কড়াবার্তা

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় তৃণমূলের বহিষ্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের ‘বাবরি’ মসজিদ শিলান্যাস ঘিরে এবার তীব্র আক্রমণ শানালেন কুণাল ঘোষ। দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র নাম না-করেই হুমায়ুনকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই শাস্তি মসজিদ তৈরির জন্য নয়। ব্যক্তিগতভাবে মসজিদ নির্মাণে দলের কোনো আপত্তি নেই।

 

বরং দলবিরোধী চক্রান্তের ফাঁদে পা দিয়ে ধর্মের মোড়কে রাজনৈতিক অঙ্ক কষার জন্যই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ৬ ডিসেম্বর, যখন কলকাতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস ‘সংহতি দিবস’ পালন করছে, ঠিক তখনই মুর্শিদাবাদে এই সমান্তরাল স্রোত তৈরি হওয়ায় ক্ষুব্ধ দল। শনিবার সকালে ভিডিও বার্তায় কুণাল ঘোষ এই বিভেদের রাজনীতি রুখতে আসরে নামেন।

 

কুণাল ঘোষ সরাসরি অভিযোগ করেন, বিরোধীরা যখন ধর্মীয় ভাবাবেগকে কাজে লাগিয়ে ‘বিষাক্ত মেরুকরণের মায়াজাল’ তৈরি করতে চাইছে, তখন দলেরই সদস্য তাদের খেলার ঘুঁটি হচ্ছেন। ভোটের রাজনীতির স্বার্থে ধর্মকে ঢাল করে কেউ বিশৃঙ্খলা তৈরি করলে তা মেনে নেওয়া হবে না। দলের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, বাংলায় মন্দির, মসজিদ বা গির্জা তৈরির ক্ষেত্রে তৃণমূলের কোনও বাধা নেই। তবে যদি কেউ এই ধর্মীয় কর্মসূচিকে ‘পলিটিক্যাল ইভেন্ট’-এ পরিণত করেন, তবে তা সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গ।

 

তিনি গীতা পাঠের উদাহরণ টেনে বলেন, গীতাকে শ্রদ্ধা করি, কিন্তু একে রাজনৈতিক মার্কেটিং-এর জন্য ব্যবহার করলে বিরোধিতা করা হয়। বেলডাঙার ক্ষেত্রেও একই যুক্তি প্রযোজ্য। ৬ ডিসেম্বর বেছে নিয়ে এই উদ্যোগ একান্তই রাজনৈতিক অভিসন্ধিমূলক। হুমায়ুন কবীর প্রচার করছেন যে, মসজিদ গড়ার উদ্যোগ নেওয়ার কারণেই তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কুণাল ঘোষ এই দাবিকে ‘ডাহা মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দেন। তিনি জানান, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং বিরোধীদের খেলার ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার কারণেই দল ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছে।

READ MORE.....