রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ উত্তর দিনাজপুর জেলা সফরে এসে রায়গঞ্জের কর্ণজোড়ায় এক উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠক করেন। এদিনের এই পর্যালোচনা বৈঠকে আবাস যোজনা, একশো দিনের কাজ এবং শৌচালয় নির্মাণের মতো পঞ্চায়েত দপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অগ্রগতি বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের আরেক মন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী, সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পাল, জেলাশাসক অভিজিৎ সেভালে সহ জেলার অন্যান্য বিধায়ক ও পদস্থ আধিকারিকরা।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী বিগত সরকারের আমলের পঞ্চায়েত দুর্নীতির কড়া সমালোচনা করেন। তিনি স্পষ্ট জানান, জমা পড়া সমস্ত দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত সরকার করবে, তবে শুধুমাত্র সেদিকে নজর দিলেই হবে না; জেলার সার্বিক উন্নয়নমূলক কাজগুলিকেও সমান গতিতে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। পঞ্চায়েত স্তরে দীর্ঘদিন ধরে চলা কর্মী সংকটের কথা স্বীকার করে মন্ত্রী বড় ঘোষণা করেন যে, প্রায় ১২ বছর পর পঞ্চায়েত দপ্তরে শূন্য থাকা ১১ হাজার পদে কর্মী নিয়োগ করা হবে। পুজোর পরেই পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে।
অন্যদিকে, উত্তর দিনাজপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি পম্পা পালের সাম্প্রতিক ইস্তফাকে কেন্দ্র করে যে অচলাবস্থার অভিযোগ উঠেছে, তা পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি আশ্বস্ত করেন, বিষয়টি নিয়ে জেলাশাসকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং বর্তমান নির্বাচিত সদস্যদের মধ্যে থেকেই শীঘ্রই নতুন সভাধিপতি বেছে নিয়ে এই সাময়িক সমস্যার দ্রুত সমাধান করা হবে।














