Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

১ কোটি ২৫ লক্ষ এন্ট্রি ‘রাতারাতি’ ! কমিশনে অভিযোগ বিরোধী দলনেতার

১ কোটি ২৫ লক্ষ এন্ট্রি ‘রাতারাতি’ ! কমিশনে অভিযোগ বিরোধী দলনেতার

ভোটার তালিকা সংশোধনী (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে এবার সরাসরি ‘স্ক্যামে’র অভিযোগ তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কলকাতা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতরে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। সিইও দফতর এদিন কার্যত যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি প্রতিনিধি দল সেখানে ডেপুটেশন জমা দেন। তিনি অভিযোগ করেন, মাত্র তিন দিনের মধ্যে অর্থাৎ ২৬, ২৭ ও ২৮ নভেম্বরের মধ্যে রাতারাতি ১ কোটি ২৫ লক্ষ এন্ট্রি করা হয়েছে।

 

এই বিপুল সংখ্যক এন্ট্রির নেপথ্যে তৃণমূলের ভোটকুশলি সংস্থা আইপ্যাক এবং কিছু সংখ্যক ইআরও-দের যোগসাজশ রয়েছে। অবিলম্বে এই পুরো বিষয়টি স্বাধীন সংস্থা দিয়ে তদন্তের দাবি জানান শুভেন্দু। প্রয়োজনে সিবিআই বা জুডিশিয়াল তদন্তের দাবিও তোলা হয়েছে। বিরোধী দলনেতা নির্দিষ্টভাবে ওই তিন দিনের এন্ট্রি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, এটি একটি বিরাট দুর্নীতি। তাঁর দাবি, ওই তিনদিনের প্রত্যেকটি এন্ট্রি পর্যবেক্ষকদের দিয়ে অডিট করাতে হবে। শুধু সাধারণ অডিট নয়, অত্যাধুনিক ব্যবস্থা ব্যবহার করতে হবে।

 

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ফটো স্ক্যান করিয়ে অডিট করার দাবি জানানো হয়েছে। শুভেন্দুর গুরুতর অভিযোগ, আইপ্যাকের লোকেরা বিএলও-দের থেকে ওটিপি নিয়ে তালিকায় বাংলাদেশিদের নাম রেখে দিচ্ছে। এছাড়া লক্ষাধিক মৃত ব্যক্তি ও বাংলাদেশি মুসলমানদের নাম ঢোকানো হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। শুভেন্দু অধিকারী ইআরও নিয়োগ নিয়ে কমিশনে নালিশ জানান। তিনি বলেন, সারা দেশে এসডিও-দেরই ইআরও করা হয়। অথচ এ রাজ্যে ল্যান্ড অফিসারকেও ইআরও করা হয়েছে। তিনি মনে করেন, এসডিও র‍্যাঙ্কের অফিসারকেই এই পদে বসাতে হবে। তাঁর দাবি, শুধুমাত্র বিসিএস বা আইএএস অফিসারদেরই ইআরও করা উচিত। এদিন সিইও দফতরের সামনে পরিস্থিতি ছিল চরম উত্তপ্ত।

 

শুভেন্দু অধিকারীর কর্মসূচির উল্টো দিকে অবস্থান নেন তৃণমূলপন্থী বিএলও অধিকার রক্ষা কমিটির সদস্যরা। শুভেন্দুকে দেখেই তাঁরা ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। দফায় দফায় পুলিশের ব্যারিকেডে ধাক্কাধাক্কি হয়।তৃণমূলপন্থী সংগঠন অভিযোগ করে, বিএলও-দের মৃত্যুর দায় শুভেন্দু অধিকারীকে নিতে হবে। এই বিক্ষোভের মুখে বিজেপি বিধায়করাও বাধার মুখে পড়েন।দফতরে ঢোকার মুখে পুলিশ বাধা দিয়েছে বলে সরাসরি অভিযোগ করেন শুভেন্দু। তিনি কলকাতা পুলিশের ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ জানান।

 

তৃণমূলপন্থী সংগঠনের বিক্ষোভ নিয়েও তিনি সিইও-র কাছে নালিশ জানান। তাঁর দাবি, অবৈধভাবে মাইক বাজিয়ে রাজনৈতিক দলকে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তিনি অনুরোধ করেন, কমিশনের দফতরকে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে সুরক্ষা দিতে হবে, যাতে তাঁরা নিরাপদে যাতায়াত করতে পারেন।বিজেপির এই অভিযোগকে অবশ্য কটাক্ষ করেছেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, তৃণমূলকে হারানো ওদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই এই ধরনের অভিযোগ ও নাটক করা হচ্ছে। ফিরহাদ হাকিম আরও বলেন, এখন তো তৃণমূলকে হারাতে বিজেপি মিম ও আইএসএফ-এর সঙ্গেও জোট বাঁধতে রাজি।

READ MORE.....