অরুণাচল প্রদেশের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার একাধিক এলাকায় ভারত ও চিনা বাহিনীর মধ্যে মুখোমুখি সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে এবং সেই উত্তেজনা এখনও অব্যাহত রয়েছে বলে জানালেন ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশ প্রধান শত্রুজিৎ কাপুর। রাজস্থানের আলওয়ারে বাহিনীর এক অনুষ্ঠানে তিনি জানান, সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে আইটিবিপির নবগঠিত ‘শৌর্য কম্যান্ডো’ দল সেখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এই সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে আধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত করার পাশাপাশি ড্রোন ব্যবস্থা ও ভূগর্ভস্থ আশ্রয়স্থল তৈরির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সীমান্তে এহেন উত্তেজনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে।
গোটা পরিস্থিতিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে দেশের নিরাপত্তা নিয়ে স্পষ্ট জবাবদিহি দাবি করেছেন তিনি। খাড়গে অভিযোগ করেন, গত সেপ্টেম্বর মাসে সামরিক স্তরে বৈঠকের পরও কেন সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি এবং ভারতীয় টহলদারির অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়েছে কি না, তা দেশকে স্পষ্ট করে জানাতে হবে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, গালওয়ান সংঘর্ষের পর থেকে চিনের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি ১৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১১২ বিলিয়ন ডলারের বেশি হয়েছে। বারবার কূটনৈতিক স্তরে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক সত্ত্বেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ২০২০ সালের আগের পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলো কি না, সে বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট বিবৃতি দাবি করেছে প্রধান বিরোধী দল।














