Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

এসআইআর নিয়ে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ মানস ভুঁইয়ার

এসআইআর নিয়ে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ মানস ভুঁইয়ার

শনিবার মেদিনীপুর শহরের প্রদ্যত স্মৃতি ভবনে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের গ্রামীণ সম্পদ কর্মীদের সম্মেলনে যোগ দিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী ডাক্তার মানস ভুঁইয়া একথা জানিয়ে বলেন, নির্বাচন কমিশন সহজ প্রক্রিয়া কে জটিল করে ‘ঘাঁটা ঘাঁটি’ করে দিয়েছে। ব্যাখ্যা করে বলেন, রাস্তা দিয়ে যাচ্ছেন কেউ পেরেক ফেলে রেখেছে। কাদা দিয়ে রেখেছে যাতে মানুষ পা পিছলে পড়ে যান। দেশ স্বাধীনতার ৭৮ বছরে পা দিয়েছে। ১৯৫২ সাল থেকে নির্বাচন হচ্ছে। রাজনৈতিক দর্শনের মাধ্যমে ভোটাররা প্রার্থীদের বাছাই করেন। কেউ সাম্যবাদ কেউ গান্ধীবাদ। ভারতবর্ষ গান্ধী কে বেছে নিয়েছে।

 

তিনি সমতার কথা বলেছেন। সবাই মিলেমিশে থাকুক। এটা মুখ্যমন্ত্রী ২০১১ সাল থেকে দেখিয়ে আসছেন। ৩৪ বছরে ৫২ হাজার কংগ্রেস ও তৃণমূলের কর্মীদের খুন করেছে বামফ্রন্ট। ১ লক্ষ ২০ হাজার সাধারণ মানুষকে খুন করেছে। তাঁরা এখন সাম্যবাদের কথা বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করেন। বিজেপি ভয় দেখাচ্ছে তা জানিয়ে বলেন, ওঁদের বঙ্গ নেতারা মুখে যত বলুক এই করবেন। ওই করবেন। ক্যাম্পে পুরে দেবেন। তিনি জানান, ‘বিজেপি কিচ্ছু করতে পারবে না কারণ আমাদের মমতা আছেন।

 

আমাদের অভিষেক আছেন।’ এস আই আর নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে গাইডলাইন বেঁধে দিয়েছেন তা মেনে প্রতি গ্রাম পঞ্চায়েত পিছু শিবির করতে হবে। বিএলও-রা কিভাবে কাজ করছেন তা লক্ষ্য নজর রাখতে হবে। রাজ্যে ৬০ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক রয়েছেন। এই শ্রমিকদের সকলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। ব্লক ও গ্রাম পঞ্চায়েত ভিত্তিক তালিকা তৈরি রাখুন। মন্ত্রী জানান, তিনি ১৫ দিন ধরে বিভিন্ন ব্লকে ঘুরবেন। কর্মীরা ঠিকমতো দায়িত্বশীল হয়ে কাজ করছেন কিনা দেখবেন। বিজেপি নেতা কর্মীদের জিজ্ঞেস করুন রাজ্য সরকারের ৭৫০০ কোটি টাকা বকেয়া টাকা কেন কেন্দ্র সরকার আটকে রেখেছে। উত্তর বঙ্গে ভয়াবহ বন্যায় এত ক্ষয় ক্ষতি হলো ক্ষতিপূরণ কেন পেল না বাংলা ? মহারাষ্ট্র পেল। উত্তরাখন্ড পেল।

 

কারন একটাই, বিজেপি বাংলা ও বাঙালিকে ঘৃণা করে। বিজেপির এই বিদ্বেষ এর রাজনীতি , বিভেদের রাজনীতি মানুষ কে জানাতে হবে তবেই তো আপনারা মমতা ব্যানার্জির সৈনিক। ৪ নভেম্বর থেকে দেখিয়ে দিতে হবে এটা উত্তর প্রদেশ, বিহার নয়। এটা বাংলা। এদিনের সম্মেলনে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পেটা ও সুরক্ষা দপ্তরের রাষ্ট্র মন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাতো, মেদিনীপুরের বিধায়ক সুজয় হাজরা, ফেডারেশনের রাজ্য আহ্বায়ক প্রতাপ নায়েক, রাজ্য সভাপতি মিজানুর রহমান, ফেডারেশনের জেলা সভাপতি শীতল বিদ সহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃত্বরা।

READ MORE.....