পশ্চিমবঙ্গের নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন কবে থেকে শুরু হবে তা নিয়ে কোন ধারণা দিলেন না মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমার। বলেছেন সময় এলেই আমরা ঘোষণা করবো কবে থেকে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ শুরু হবে।
গনেশ কুমার বলেন আমি ছাড়া আরও দুই কমিশনার সুখ বিন্দার সিং সাধু এবং বিবেক জোশি একসঙ্গে বসে আলোচনা করে এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে আমরা এখন বিহারের নির্ভুল ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজের ব্যাপারে গ্রুপটা দিচ্ছি। যদিও এ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগারওয়াল জানিয়ে দিয়েছেন ভোটার তালিকার সংশোধনের জন্য তারা প্রস্তুত।
রবিবারই রাহুল গান্ধী এক ব্যক্তি এক ভোট এই স্লোগান তুলে বিহারে 16 দিনের পদে যাত্রা শুরু করেছেন। তারই মধ্যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সাংবাদিক বৈঠক করে একাধিক বিষয় তুলে ধরলেন।
বললেন পশ্চিমবঙ্গ সহ অন্যান্য রাজ্যে কবে থেকে ভোটার তালিকা সংশোধনে কাজ শুরু হবে তা আমরা পরবর্তী সময় জানাবো। এদিন তিনি বলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশনারের কাঁধে বন্দুক রেখে ভোটারদের ভুল বোঝাচ্ছেন। কমিশন দায়িত্ব নিয়ে বলছে কোন ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়বেনা যদি সঠিক তথ্য পাওয়া যায়। এদিন তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন কোন বিদেশি ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী ভোট দিতে পারবে না। বিহারে একাধিক বাংলাদেশী, নেপালি এবং মায়ানমারের নাগরিকের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে।
তাদের নাম বাদ দেয়া হয়েছে। বিহারের ভোটার তালিকায় ৮০ হাজার ভোটারের ঠিকানা শূন্য। তাই বলে কমিশন মনে করছেনা এরা অবৈধ ভোটার।এইসব ভোটারকে সঠিক তথ্য দিতে হবে কমিশনকে।
বিহারে কেন ২২ লক্ষ মৃত ভোটারের সন্ধান পাওয়া গেল। এই প্রশ্নের উত্তরে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক বলেন এর আগে রেনডম সার্ভে হয়েছে। এবার প্রত্যেক ভোটারকে ইমু নারেশন ফর্ম ভর্তি করতে হচ্ছে।
তখনই এইসব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তিনি বলেন পশ্চিমবঙ্গ থেকে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল একজন ভোটারের নাম দুই রাজ্যে রয়েছে। কমিশন তদন্ত করে দেখেছে এরকম তিন লক্ষ ভোটারের নাম পাওয়া গিয়েছে যাদের অতীত নম্বর একরকম। এরপরই কমিশন ওইসব ভোটারের এপিক নম্বর বদল করে দিয়েছে। গণেশ কুমার বলেন কমিশন কখনোই ভেদাভেদের রাজনীতি করে না। ধনী দরিদ্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধর্মের মানুষকে একইভাবে দেখে থাকে কমিশন।














