Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

কোন মৃন্ময়ী মূর্তি নয়, মায়ের কালীর আসনে পূজিতা হন বাড়ির বড় বৌ

কোন মৃন্ময়ী মূর্তি নয়, মায়ের কালীর আসনে পূজিতা হন বাড়ির বড় বৌ

১৮২০ বঙ্গাব্দের ১৩ জৈষ্ঠ্য, ফলহারিনী কালী পূজার দিন ঠাকুর শ্রীশ্রী শ্রীরামকৃষ্ণ, শ্রীশ্রী মা সারদাদেবীকে ষোড়শী জ্ঞানে পূজা করেছিলেন। আর সেই ছবিরই প্রতিচ্ছবি যেন দেখা যায় ইন্দাসের মির্জাপুর গ্রামে। দীপান্বিতা অমাবস্যায় এই গ্রামের সাঁতরা পরিবারের কালী পূজোতে কোন মৃন্ময়ী মূর্তি নয়, মাকালীর আসনে পূজিতা হন ওই বাড়ির বড় বৌ। গলায় রক্ত জবার মালা, কপালে রক্ত চন্দনের তিলক। দেবী সাজে সজ্জিতা ওই মহিলাকেই ওই দিন মা কালী হিসেবে নিষ্ঠাভরে পূজা করা হয়। ঘটনাচক্রে মীর্জাপুরের ওই পরিবারের জামাই রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা।

 

তাঁর শাশুড়ি হীরালালা সাঁতরাই এই বাড়িতে মা কালী হিসেবে দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর ধরে পূজিতা হয়ে আসছেন। সাঁতরা পরিবার সূত্রে খবর, ১২৫ বছরেরও বেশী সময় আগে থেকে এই বাড়িতে বাড়ির বড় বৌকে মা কালী হিসেবে পূজো করা হচ্ছে। এই বংশের কোন এক পূর্ব পুরুষ সোনা বা অষ্টধাতুর কালী মূর্তি পূজা করার স্বপ্নাদেশ পেয়েছিলেন। কিন্তু অর্থনৈতিক কারণে তা সম্ভব হয়নি।

 

সেই থেকে বাড়ির বড় বৌ-কে দেবীর আসনে বসিয়ে পূজা করা হচ্ছে। এবাড়িতে বৌ হিসেবে আসার পর প্রায় ৪০ বছর ধরে মা কালী হিসেবে পূজিতা হয়ে আসছেন হীরালালা সাঁতরা। তাঁর মেয়ে প্রীতিকণা সাঁতরা বলেন, ‘আমাদের এই পারিবারিক প্রথা দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে। বর্তমানে আমার মা-কে মা কালী হিসেবে প্রায় ৪০ বছর ধরে পূজা করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা সারা বছর যে যেখানেই থাকুননা কেন, পূজোর সময় প্রত্যেকেই বাড়িতে চলে আসেন’। জামাই শ্যামল সাঁতরা বলেন, ‘দেবীর স্বপ্নাদেশেই এই পূজা শুরু। পুজোর শুরুর দিকে প্রতিমা পূজো হলেও বর্তমানে বাড়ির বড় বৌমাকে পূজা করা হয়’।

READ MORE.....