রাজ্যের অন্যান্য জেলার মতো নদীয়ার কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভাতেও এসআইআর এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। খসড়া এবং চূড়ান্ত ভোটার তালিকাতে প্রায় ১৬ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল ১২ হাজার ৪০০। তবে তৃতীয় তালিকা প্রকাশ হতেই ৯৯৫০ জন ভোটারের নাম বাদ পড়েছে।এখনো ১৫০০ জন ভোটারের ভবিষ্যত ঝুলে আছে।
রাজনৈতিক মহলের দাবি নাম বাদের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।তাই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভায় ভোটারদের সংখ্যা অনেকটাই কমতে চলেছে। ২০১৯ সাল থেকে কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা বিজেপির গড় হিসেবে পরিচিত। এরপরে ২০২১ সালের নির্বাচনে প্রয়াত মুকুল রায় এই বিধানসভায় বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হন। বিগত সাত বছরে কৃষ্ণনগরের এই বিধানসভা কেন্দ্র পদ্ম শিবিরের দুর্গ হিসাবে পরিণত হয়েছে। কিন্তু বিজেপির তিন দফার প্রার্থী তালিকাতেও এই বিধানসভা এলাকায় নেই কোনো বিজেপি প্রার্থী নাম। এই কারণে কিছুটা হতাশ হয়েছেন পদ্ম শিবিরে নিচু তলার কর্মীরা। বিষয়টি নিয়ে একাংশ কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীর ‘সন্ধান চাই’ বলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোল করছেন।
শক্তঘাঁটিতে প্রার্থী ঘোষণায় এত দেরি কেন? প্রশ্ন উঠছে পদ্ম শিবিরের অন্দরেই। তৃণমূল, সিপিআইএম এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলি যেখানে চুটিয়ে প্রচার সারছে, সেখানে বিজেপির ভোট ময়দান থেকে এইভাবে কার্যত উধার হওয়ার বিষয়টিও যথেষ্ট সমালোচিত হচ্ছে। যদিও এই বিষয়ে কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির মুখপাত্র সন্দীপ মজুমদার বলেন, কৃষ্ণনগর উত্তরে খুব শীঘ্রই প্রার্থী ঘোষণা করবে নেতৃত্ব। এই বিধানসভা এলাকায় তৃণমূলের আশা ছেড়ে দেওয়াই ভালো।















