Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

গ্রিন বাজির দাপট , বায়ুদূষণের মাত্রা শিখর ছুঁল

গ্রিন বাজির দাপট , বায়ুদূষণের মাত্রা শিখর ছুঁল

বহরমপুরে কালীপুজোর রাতে বাতাসের গুণগত মান (একিউআই) চরম সীমায় পৌঁছে যায়। আদালতের নির্দেশ অমান্য করে রাত দশটার পরও দেদার আতশবাজি ও শব্দবাজি পোড়ানো হয়। এর ফলে রাতভর দূষণ মারাত্মকভাবে বাড়ে। ভোর চারটে নাগাদ এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স সর্বোচ্চ ২১২ সূচকে পৌঁছয়, যা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সন্ধ্যা ছয়টা থেকে আটটা পর্যন্ত সূচক ছিল প্রায় ১৮১। রাত দুটোর সময়ে ১৯০। বাজি পোড়ানোর কারণে বাতাসের সূক্ষ্ম ধূলিকণার পরিমাণ ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়। পরিবেশবিদদের মতে, অবৈধ বাজি মজুত ও বিক্রির বিরুদ্ধে পুলিশের যথেষ্ট তৎপরতা না থাকায় ‘গ্রিন বাজি’-এর আড়ালে দূষণ সৃষ্টিকারী বাজি বিক্রি হয়েছে। এর ফলস্বরূপ বহরমপুর, কান্দি, লালবাগ, মুর্শিদাবাদ, জিয়াগঞ্জ সহ জেলার সর্বত্র দূষণ মাত্রা ছাড়ায়।

পরিবেশ প্রযুক্তিবিদ সৌমেন্দ্রমোহন ঘোষ জানান, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দূষণ বাড়ে এবং ভোর চারটেয় সর্বোচ্চ হয়। এই সময়ে দূষিত বাতাসে শ্বাস নেওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। পরিবেশ বিজ্ঞানী স্বাতী চক্রবর্তী বলেন, এই দূষিত বাতাসে বয়স্ক ও শিশুদের শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ, হৃদরোগ, ফুসফুসের দীর্ঘস্থায়ী ব্যাধিসহ একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। চিকিৎসকরা একিউআই ১২০-এর উপরে উঠলেই মাস্ক ব্যবহারের এবং ২০০ ছাড়ালে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দিয়েছেন। তবে ধীরে ধীরে বাতাসের মান উন্নত হওয়ায় মঙ্গলবার দুপুরে সূচক ১৬০-১৭০ এর কাছাকাছি ছিল।

READ MORE.....