Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

জমা জলে মরণফাঁদ রুখতে নয়া বর্ম, শহরের তিন লক্ষ খুঁটিতে সুরক্ষা কবচ

জমা জলে মরণফাঁদ রুখতে নয়া বর্ম, শহরের তিন লক্ষ খুঁটিতে সুরক্ষা কবচ

বর্ষার জমা জলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর মিছিল রুখতে এবার কোমর বেঁধে নামছে কলকাতা পুরসভা। শহরের প্রায় তিন লক্ষ বাতিস্তম্ভকে সুরক্ষিত করতে বিশেষ ‘আর্থিং’ ও পিভিসি পাইপের বর্ম তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। মূলত গত বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এই মেগা পরিকল্পনা নিয়েছে পুর প্রশাসন। লক্ষ্য একটাই, জমা জলে পা দিলেও যাতে নাগরিককে অকালে প্রাণ হারাতে না হয়। গত বছরের সেপ্টেম্বরের শেষে, পুজোর ঠিক আগেই প্রবল বর্ষণে কার্যত ভেসে গিয়েছিল তিলোত্তমা।

 

সেই সময় শহরের বিভিন্ন প্রান্তে জমা জলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর একাধিক ঘটনা ঘটে। যা নিয়ে প্রবল জনরোষের মুখে পড়তে হয়েছিল পুরসভা ও বিদ্যুৎ বণ্টনকারী সংস্থা সিইএসই-কে। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই নিয়ে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। সেই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি এড়াতেই এবার আগাম সতর্ক কলকাতা। পুরসভার আলো বিভাগ সূত্রে খবর, শহরের প্রতিটি আলোকস্তম্ভে নতুন করে যথাযথ আর্থিংয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এর ফলে কোনো কারণে যদি খুঁটিতে বিদ্যুৎ লিকেজ হয়, তবে তা মানুষের ক্ষতি না করে সরাসরি মাটির গভীরে চলে যাবে। নিরাপত্তার ঘেরাটোপ আরও মজবুত করতে খুঁটির নীচের অংশ থেকে বেশ কিছুটা উঁচু পর্যন্ত পিভিসি পাইপ দিয়ে মুড়ে দেওয়া হচ্ছে। কারণ, পিভিসি বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়।

 

পুরসভার এক আধিকারিক এই প্রসঙ্গে জানান, ‘পিভিসি পাইপ বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়। ফলে রাস্তা জলমগ্ন থাকলেও এবং কোনও কারণে খুঁটির গায়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ ছড়ালেও বাইরের অংশে বিদ্যুৎ পৌঁছোবে না।’ শহরের এত বিপুল সংখ্যক বাতিস্তম্ভের বেহাল দশা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে এক পুরকর্তা জানান, “কলকাতার সব বাতিস্তম্ভের আর্থিং আগে থেকেই রয়েছে। সেই আর্থিং প্রক্রিয়াকে আরও উন্নত করা হচ্ছে, যাতে কোনও ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে শহরে বড়সড় বিপত্তি না ঘটে।” পুরসভার লক্ষ্য, বর্ষার মরসুম শুরুর আগেই এই কাজ শেষ করা। নাগরিক নিরাপত্তাকেই এখন পাখির চোখ করছে লালবাজার সংলগ্ন পুরভবন।

READ MORE.....