Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

জামবনি থেকে বিজেপিকে তোপ সায়নীর

জামবনি থেকে বিজেপিকে তোপ সায়নীর

ভাষা, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক অধিকার—এই তিনটি প্রশ্নকে সামনে রেখেই ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়াল তৃণমূল কংগ্রেস। বাংলার প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনা এবং জনস্বার্থবিরোধী নীতির প্রতিবাদে মঙ্গলবার ঝাড়গ্রাম জেলার বিনপুর বিধানসভার জামবনি ব্লকের পড়িহাটিতে আয়োজিত জনসভায় বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ সায়নী ঘোষ।

 

সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা, বিধায়ক দুলাল মুর্মু, ডাক্তার খগেন্দ্রনাথ মাহাতো, দেবনাথ হাঁসদা ও দলের জেলা নেতৃত্বরা। জনসভা মঞ্চ থেকে সায়নী ঘোষ প্রশ্ন তোলেন, ‘বাংলার জন্য বিজেপি আদৌ কী করেছে?’ তাঁর অভিযোগ, আজ বাংলা ভাষায় কথা বললেই মানুষকে বাংলাদেশি তকমা দেওয়া হচ্ছে। ‘সব কা সাথ, সব কা বিকাশ’ স্লোগানকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, বাস্তবে হচ্ছে শুধু কয়েকজন শিল্পপতির বিকাশ, আর দেশের গণতন্ত্রের ক্রমাগত ক্ষয়।

 

সায়নী ঘোষ বলেন, ‘বাংলাকে মধ্যপ্রদেশ, বিহার বা উত্তরপ্রদেশ ভেবে নেওয়ার ভুল করবেন না। বাংলা আমার বাংলা রবে—এই মাটিতে খেলা হবে’। তিনি আরও বলেন, যারা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, রাজা রামমোহন রায় কিংবা স্বামী বিবেকানন্দের মতো মনীষীদের অবমাননা করে, তাদের হাতে বাংলার ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত নয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের প্রসঙ্গ তুলে তৃণমূল সাংসদ বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্য সরকার লক্ষ লক্ষ মহিলার হাতে সরাসরি আর্থিক সহায়তা তুলে দিচ্ছে।

 

তাঁর অভিযোগ, একদিকে রাজ্য কাজ করছে, অন্যদিকে কেন্দ্র বাংলার প্রাপ্য টাকা আটকে রেখে উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করছে। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগে সায়নী ঘোষ বলেন, প্রায় দু’লক্ষ কোটি টাকা এখনও রাজ্যের কাছে বকেয়া। একশো দিনের কাজ, মিড-ডে মিল, আবাস যোজনা, সর্বশিক্ষা অভিযান ও গ্রামীণ রাস্তার প্রকল্পের টাকা কেন্দ্র আটকে রেখেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর মন্তব্য, ‘এখানে কাজ করবে রাজ্য সরকার, আর কৃতিত্ব নেওয়ার চেষ্টা করবে কেন্দ্র—এটা বাংলার মানুষ মেনে নেবে না’

 

ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির অভিযোগ তুলে তৃণমূল সাংসদ বলেন, ধর্ম বাংলার মানুষের কাছে বিভেদের হাতিয়ার নয়। পাশাপাশি ইডি, সিবিআই ও এনআইএ ব্যবহার করে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির অভিযোগও তোলেন তিনি। এদিনের সভায় চারজন নির্দল পঞ্চায়েত সদস্য তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন ঝাড়গ্রাম লোকসভার সাংসদ কালীপদ সোরেন, মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা, বিনপুরের বিধায়ক দেবনাথ হাঁসদা, গোপীবল্লভপুরের বিধায়ক ডাঃ খগেন্দ্রনাথ মাহাতো, জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন বীরবাহা সোরেন টুডু, জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান উজ্জ্বল দত্ত সহ দলের অন্যান্য নেতৃত্ব।

READ MORE.....