Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

দরজা বন্ধ কেবিনে তৃণমূল বিধায়কের টাকা ভাগের ভিডিও প্রকাশ্যে

দরজা বন্ধ কেবিনে তৃণমূল বিধায়কের টাকা ভাগের ভিডিও প্রকাশ্যে

দরজা বন্ধ কেবিনে তৃণমূল বিধায়কের টাকা ভাগের ভিডিও প্রকাশ্যে। আর এতেই তোলপাড় হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। ভিডিও’তে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে ব্যাগে করে টাকা ভরে এনেছেন পূর্ব বর্ধমানের গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির সহ- সভাপতি অনুপ চ্যাটার্জ্জী। তিনিই টেবিলে নামিয়ে দিচ্ছেন থোকা থোকা টাকার গোছা। কোথা থেকে এলো এই কাড়ি-কাড়ি টাকা? সেই টাকা আবার গুনে গুনে ভাগ করছেন পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধক্ষ্য পার্থ মন্ডল। তিনি দিচ্ছেন বিধায়ক নেপাল ঘরুইকে।

 

উভয়ে ভরছেন নিজেদের পকেটে। বিধায়কের সাথে সিগারেটে টান দিতে-দিতে ডাইরিতে কি লিখছেন পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি অনুপ চ্যাটার্জ্জী। তিনি টাকা ভাগের হিসাব লিখছেন না তো ? তৃণমূল নেতা মানেই তো কাড়ি-কাড়ি টাকা। এর আগে বিভিন্ন জায়গা থেকে এমনই কাড়ি-কাড়ি টাকা উদ্ধার করেছে ইডি। অভিযোগ, জেলও খাটছেন বেশ কিছু দাপুটে নেতারা। গলসি’র ওই সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা যাচ্ছে তার সত্যতা যাচাই করেনি সকালের শিরোনাম। তবে প্রশ্ন উঠছে ওই থোকা-থোকা টাকা কিসের? এলোই বা কোথা থেকে? কেন গুনে গুনে ভাগ করছেন পার্থ মন্ডল? আবার আঙুলের হিসাবে বুঝিয়েও দিচ্ছেন। টেবিল নামাচ্ছেন ও গুনে বুঝিয়ে দিচ্ছেন। সাতটি বান্ডিলে লক্ষ-লক্ষ টাকা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

 

জানা যায়, বর্তমানে গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি অনুপ চ্যাটার্জ্জী। ভোটাভুটি করে তাকে দ্বিতীয়বার সমিতির চেয়ারে বসিয়েছেন পার্থ মন্ডলই। পার্থ বিধায়ক নেপাল ঘরুই-এর ছায়া সঙ্গী। সমিতির সবটাই কন্ট্রোল করে অনুপ ও পার্থ। পার্থকে আবার রাজ্য সরকার পুলিশি নিরাপত্তাও দিয়েছেন। তাহলে ওই কাড়ি-কাড়ি টাকা সমিতির কাটমানির টাকা নয় তো? প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কাটমানির টাকা নিরাপদে বহন করতেই ওই নিরাপত্তা নয় তো ? কি বলছেন বিরোধীরা ? বিজেপি নেতা রমন শর্মা বলেন, ‘ছবি যখন কথা বলছে তখন বলার কিছু মানে হয় না।

 

সবই মাননীয়ার অনুপ্রেরণায় এগিয়ে বাংলা’। উল্লেখ্য, বছর দুইয়েক আগে বিনা টেন্ডার, এমনকি কোন কাজ না করেই মিডডে মিলের রান্নাঘর সংস্কারের ১৩,৭১,৯০৫ টাকা পেয়ে গিয়েছিল অনুপ চ্যাটার্জ্জী ঘনিষ্ঠ এক ঠিকেদার। দুর্নীতির অভিযোগের খবর হবার পরই তড়িঘড়ি রান্নাঘর সারাইয়ের কাজ শুরু করেছিলেন ততকালীন বিডিও দেবলীনা দাস। অনুপ চ্যাটার্জি ফোনে জানিয়েছেন, ‘ওই টাকা কারোর কাছে নেওয়ার টাকা না। ভোটের সময় খরচের টাকা দেওয়া হচ্ছিল। তারই সিসিটিভি ফুটেজ ওটা। বিজেপি কি বলছে তাতে তাদের কিছু যায় আসে না’।

READ MORE.....