দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্ত এখন গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে ঘূর্ণিঝড় মান্থা। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এটি আরও শক্তি সঞ্চয় করে অতি গভীর নিম্নচাপে এবং পরে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
সুন্দরবন পুলিশ জেলা ও ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে নামখানা, বকখালি, ফ্রেজারগঞ্জসহ উপকূলবর্তী অঞ্চলে মাইকিং-এর মাধ্যমে মৎস্যজীবীদের সতর্ক করা হচ্ছে। মৎস্য দপ্তর ২৭ ও ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত গভীর সমুদ্রে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ফলে গভীর সমুদ্রে থাকা একাধিক ট্রলার ইতিমধ্যেই বন্দরে ফিরে আসতে শুরু করেছে।
আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, রবিবারের মধ্যে মান্থা আরও শক্তিশালী হয়ে বঙ্গোপসাগরের মধ্য ও দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। যদিও এই ঝড়ের মূল প্রভাব দক্ষিণ ভারতের উপকূল ঘেঁষে পড়ার সম্ভাবনা, তবে বাংলার উপকূল এলাকাও ঝড়ের আংশিক প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
এদিকে, সম্ভাব্য বিপর্যয় এড়াতে প্রশাসন ইতিমধ্যেই বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী কে প্রস্তুত রেখেছে। উপকূলবর্তী ব্লকগুলিতে চলছে তৎপরতা। রবিবার থেকেই শুরু হবে প্রশাসনিক বৈঠক, যাতে যেকোনও পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। উপকূলজুড়ে এখন একটাই চিন্তা—‘মান্থা’র দাপটে কী আসছে সামনে!















