Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

নিপা কেড়ে নিল নার্সের প্রাণ

নিপা কেড়ে নিল নার্সের প্রাণ

নিপা ভাইরাসের থাবায় প্রাণ হারালেন এক সেবিকা। বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। হাসপাতাল সূত্রের খবর, দীর্ঘ দিন তিনি সিসিইউ-তে (ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট) চিকিৎসাধীন ছিলেন। সংক্রমণের জেরে তাঁর ফুসফুসে ‘সেকেন্ডারি ইনফেকশন’ ছড়িয়ে পড়েছিল। জানা গেছে, মহিলা নার্সের মৃত্যু হয়েছে বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে পাঁচটা নাগাদ । বারাসতের ওই একই হাসপাতালে নিপা আক্রান্ত আরও এক নার্স চিকিৎসাধীন ছিলেন।

 

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর অবশ্য আগেই আশ্বস্ত করে জানিয়েছিল যে, রাজ্যে নতুন করে কেউ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হননি। সংক্রমণের উৎস সন্ধানে দ্রুত ‘কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং’ শুরু করেন স্বাস্থ্যকর্তারা। আক্রান্ত দুই নার্স গত কয়েক দিনে কাদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের তালিকা তৈরি করে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। স্বস্তির খবর এটাই যে, পরীক্ষাগারে পাঠানো সেই সমস্ত নমুনার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। অর্থাৎ, আপাতত রাজ্যে নতুন করে নিপা সংক্রমণের কোনও প্রমাণ মেলেনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মারণ ভাইরাসের মূল উৎস বাদুড়। বাদুড়ের আধখাওয়া ফল থেকে দ্রুত সংক্রমণ ছড়াতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র নির্দেশিকা বলছে, শুধু বাদুড় নয়, শুয়োর থেকেও এই ভাইরাস ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে।

 

এমনকি আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত পোশাক বা বিছানা থেকেও অন্যের শরীরে ভাইরাস বাসা বাঁধতে পারে। নিপার উপসর্গ সাধারণ ভাইরাল জ্বরের মতো হলেও এর মৃত্যুহার আকাশছোঁয়া। প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ ক্ষেত্রে রোগীর মৃত্যু হতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে জ্বর, মাথাব্যথা ও বমি ভাব থাকলেও সংক্রমণ মস্তিষ্কে পৌঁছলে শুরু হয় খিঁচুনি। প্রবল শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি রোগী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোমায় চলে যেতে পারেন। এই ভাইরাসের কোনও নির্দিষ্ট টিকা বা ওষুধ নেই। উপসর্গ দেখেই চিকিৎসা করা হয়। চিকিৎসকদের মতে, রোগীর নিজস্ব রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাই এই লড়াইয়ে শেষ কথা বলে। তাই দ্রুত রোগ শনাক্ত করা অত্যন্ত জরুরি।

READ MORE.....