Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

পদক কমল ভারতের, ‘কমফোর্ট জোন’-এ থাকা অভিজ্ঞদের তলব ক্রীড়া মন্ত্রকের

পদক কমল ভারতের, ‘কমফোর্ট জোন’-এ থাকা অভিজ্ঞদের তলব ক্রীড়া মন্ত্রকের

হাংঝৌ এশিয়ান গেমসে ১০৬টি পদক জয়ের ঐতিহাসিক সাফল্যের পর আইচি-নাগোয়ায় ভারতের পদক সংখ্যা নেমে দাঁড়াল ৮৫-তে। বিপুল সরকারি অর্থসাহায্য সত্ত্বেও ২৩টি বিভাগে ‘টপস’ (টার্গেট অলিম্পিক পোডিয়াম স্কিম)-এর আওতাভুক্ত ৮৯ জন অভিজ্ঞ অ্যাথলিটের খালি হাতে ফেরা এবং সাতটি বিভাগে সোনা ধরে রাখতে না পারার ব্যর্থতাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রক। আগামী ১৩ অক্টোবর জাতীয় ক্রীড়া ফেডারেশনগুলির শীর্ষকর্তাদের নিয়ে ম্যারাথন পর্যালোচনা বৈঠকে বসছেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। সেখানে বিশেষ করে ব্যাডমিন্টন, শুটিং এবং অ্যাথলেটিক্সের পারফরম্যান্স আতশকাচের তলায় রাখা হবে বলে মন্ত্রক সূত্রে খবর।

মন্ত্রকের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানান, বহু অভিজ্ঞ অ্যাথলিট কার্যত নিজেদের ‘কমফোর্ট জোন’-এ আবদ্ধ রেখেছিলেন, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে তাঁদের ফলাফলে। গত তিন বছরে ক্রীড়াবিদদের প্রস্তুতির জন্য ৭০০ কোটি টাকারও বেশি সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও নির্দিষ্ট কিছু খেলায় কাঙ্ক্ষিত সাফল্য আসেনি। ব্যাডমিন্টনে পুরুষদের দলগত ব্রোঞ্জ ছাড়া পুরুষ ডাবলসের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন সাত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডি ও চিরাগ শেট্টি প্রথম রাউন্ডেই ছিটকে যান।

 

শুটিংয়ে জোড়া অলিম্পিক পদকজয়ী মনু ভাকের-সহ পিস্তল শুটাররা চরম ব্যর্থ হন এবং কোনও পদক পাননি। অ্যাথলেটিক্সেও সোনার সংখ্যা ছ’টি থেকে নেমে এসেছে মাত্র একটিতে। সবচেয়ে বেশি ক্ষোভ তৈরি হয়েছে শেষ মুহূর্তে চোটের অজুহাত নিয়ে; জ্যোতি ইয়াররাজি, প্রবীণ চিত্রভেলের চোটের খবর প্রতিযোগিতা চলাকালীন সামনে আসে এবং অবিনাশ সাবলে ৫০০০ মিটার দৌড়ে নামেনইনি। মন্ত্রকের আধিকারিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “দেশে কোটি কোটি টাকা খরচে প্রস্তুতির পর প্রতিযোগিতাস্থলে পৌঁছে নাম প্রত্যাহারের আগে হঠাৎ চোটের কথা বলা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

 

জনসাধারণের করের টাকার সঠিক মূল্যায়ন হওয়া জরুরি।” অভিজ্ঞদের ব্যর্থতার মাঝে অবশ্য আশার আলো দেখিয়েছেন প্রথমবার এশিয়ান গেমসে নামা ৩১০ জন ক্রীড়াবিদ, যাঁরা একাই এনে দিয়েছেন ৪১টি পদক। তিরন্দাজিতে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে ১৭ বছর বয়সী কুমকুম মোহোদের দু’টি সোনা ও একটি রুপো জয় এবং অলিম্পিক কোটা নিশ্চিত করা অন্যতম সেরা প্রাপ্তি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এ ছাড়া গল্ফার প্রণবী উরস এবং ট্র্যাপ শুটার নীরু ধান্দার মতো তরুণীদের পারফরম্যান্স প্রশংসিত হয়েছে। মন্ত্রক ইঙ্গিত দিয়েছে, অন্ধভাবে দাবি মেনে তহবিল বরাদ্দের নীতি বদলে এবার থেকে ফলাফলের ভিত্তিতেই টপসের মাসিক ৫০,০০০ টাকার অনুদান এবং প্রশিক্ষণ খরচের পুনর্বিবেচনা করা হবে।

READ MORE.....