পুজোয় বাঙালি যা ইচ্ছে তাই খাবে, মুখ্যমন্ত্রী , কারণ, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের একটি বার্তা। সেখানে বলা হয়েছিল, পুজো মণ্ডপের আশপাশে আমিষ খাবার বিক্রি ও খাওয়া যাবে না। তারপরই সোশাল মিডিয়া জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে নানারকম তথ্য। শোনা যাচ্ছিল, আজ অর্থাৎ ৭ তারিখ এবিষয়ে রাজ্যের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু এদিন মিলন মেলা প্রাঙ্গণে পুজো সংক্রান্ত একাধিক সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করলেও আমিষ প্রসঙ্গই তুললেন না তিনি।
বিষয়টা ঠিক কী? বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এক নেতা বলেছিলেন, পুজো মণ্ডপের আশপাশে আমিষ খাবার গেলেও তা অপবিত্র। এই ক’টাদিন আমিষ না খাওয়ার কথাও শোনা গিয়েছিল। তা নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় রীতিমতো আলোচনা-পালটা আলোচনার ঝড় ওঠে। তবে দিন শেষে সকলেরই প্রশ্ন ছিল, পুজোয় আমিষ খাওয়া যাবে কি না। পরবর্তীকালে নবান্ন সূত্রে জানা যায়, পুজোর মেনুতে কী থাকবে আর কী থাকবে না, তা নিয়ে আমজনতার উপর কোনও নির্দেশ চাপানোর কথা ভাবছে না রাজ্য। তবে হ্যাঁ, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফে তাঁদের মতাদর্শের ভিত্তিতে কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাজ্য আমিষ খাবারে কোনওরকম নিষেধাজ্ঞা লাগু করতে চায় না।














