অমিত শাহের সফরের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বঙ্গ সফরে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। নতুন বছরের শুরুতেই ঘর গোছাতে নামছে গেরুয়া শিবির। আগামী ৮ জানুয়ারি কলকাতায় পা রাখছেন তিনি। মূলত কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে চিকিৎসকদের একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতেই তাঁর এই সফর। তবে এই সুযোগ হাতছাড়া করতে নারাজ রাজ্য বিজেপি। সূত্রের খবর, নাড্ডাকে দলীয় বৈঠকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
শাহের পর এবার নাড্ডার হাত ধরে সংগঠনকে চাঙ্গা করাই এখন মুরলীধর সেন লেনের মূল লক্ষ্য। বিজেপির অন্দরে এখন পরিবর্তনের হাওয়া। সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে নাড্ডার মেয়াদ শেষের পথে। কার্যকরী সভাপতি হিসেবে ইতিমধ্যেই দায়িত্ব সামলাচ্ছেন বিহারের নীতীন নবীন। সম্ভবত জানুয়ারির মাঝামাঝি তাঁর হাতেই ব্যাটন তুলে দেবেন নাড্ডা। তবে বিদায়ী ইনিংসের আগে পশ্চিমবঙ্গকে আলাদা গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে সরকার গড়ার লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন শাহ।
সেই লক্ষ্যপূরণে তৃণমূল স্তরের কর্মীদের মানসিকভাবে চাঙ্গা করতে নাড্ডার এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কলকাতা সফরে এলে নাড্ডা কি রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসবেন? জল্পনা তুঙ্গে। শমীক ভট্টাচার্যের আমন্ত্রণে সাড়া দিলে ওইদিন দলের প্রথম সারির নেতাদের নিয়ে নির্বাচনী রণকৌশল ঝালিয়ে নিতে পারেন তিনি। বিরোধীদের কটাক্ষকে গুরুত্ব না দিয়ে ‘পাখির চোখ’ ছাব্বিশের লড়াই। একুশের তুলনায় আসন সংখ্যা বাড়ানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। আর সেই পথ প্রশস্ত করতেই কি এবার নাড্ডার ‘ভোকাল টনিক’? নজর থাকছে রাজনৈতিক মহলের।














