রমজানের শুরুতেই ফলের দামে রীতিমতো আগুন লেগেছে মুর্শিদাবাদের সালারে। সিয়াম সাধনার আবহে ইফতারের পাতে ফলের জোগান দিতে গিয়ে পকেটে টান পড়ছে সাধারণ মানুষের। বৃহস্পতিবার সালার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ফল বাজারে গিয়ে দেখা গেল ক্রেতাদের চোখেমুখে চরম অসন্তোষের ছাপ। চাহিদার সুযোগ নিয়ে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিমভাবে দাম বাড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন স্থানীয় ক্রেতারা।
এক মহিলা ক্রেতা বলেন, ‘কালই যে কলা ৬০ টাকায় কিনেছি, আজ তা ৮০ টাকা চাওয়া হচ্ছে। এভাবে দাম বাড়লে গরিব মানুষ রমজানে ইফতারের ফল কিনবে কীভাবে?’ শুধু কলাই নয়, আপেল থেকে শুরু করে খেজুর—আকাশছোঁয়া দামের তালিকায় রয়েছে সবই। রমজান মাসে যেখানে ফলের প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বেশি থাকে, ঠিক সেই সময়েই দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষজন। যদিও দামবৃদ্ধির দায় নিতে নারাজ বিক্রেতাদের একাংশ। পাইকারি বাজারের দিকে আঙুল তুলেছেন তাঁরা।
সাজান শেখ নামে এক ফল বিক্রেতার দাবি, ‘দাম আগের মতোই আছে। তবে কেউ যদি বেশি দামে কিনে, সে হয়তো বেশি দামে বিক্রি করছে।’ ব্যবসায়ীদের মধ্যে এই নিয়ে অবশ্য ভিন্ন সুর শোনা গিয়েছে। কেউ কেউ স্বীকার করেছেন যে জোগানে ঘাটতি না থাকলেও কিছু ফলের দাম উর্ধ্বমুখী। তবে ঠিক কতটা দাম বেড়েছে, তা নিয়ে স্পষ্ট উত্তর মেলেনি তাঁদের কাছ থেকে। ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের দ্বন্দ্বে আপাতত সরগরম সালারের বাজার। রমজানের পবিত্র মাসে ফল নিয়ে এমন দাম বৃদ্ধি রুখতে প্রশাসনের কড়া হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ইফতারের থালা সাজাতে গিয়ে সাধারণ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও চওড়া হচ্ছে।













